28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধকক্সবাজারের ঝিলংজায় গুলিবিদ্ধ যুবদল নেতা ফারুকের মৃত্যু

কক্সবাজারের ঝিলংজায় গুলিবিদ্ধ যুবদল নেতা ফারুকের মৃত্যু

কক্সবাজারের ঝিলংজা এলাকায় ৯ ডিসেম্বর রাত প্রায় ৮ঃ৪০ টায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ‘বাবু বাহিনী’ গুলিবিদ্ধ হামলা চালায়। গুলির শিকার হয়ে দুজন যুবদল নেতা, ফারুক এবং সাইফুল ইসলাম, গুরুতর আঘাত পায়। ফারুকের মৃত্যু ঘটেছে ২৮ ডিসেম্বর ভোরে, ঢাকা একটি বেসরকারি হাসপাতালে।

ফারুক কক্সবাজার জেলা যুবদল রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতেন। তার পরিবার জানায়, আঘাতের সময় ফারুক লাইফ সাপোর্টে ছিলেন এবং চিকিৎসা সেবার জন্য তাকে ঢাকা পাঠানো হয়।

হামলার সময় গুলি মূলত উত্তরণ আবাসিক এলাকার প্রধান সড়কে নিক্ষিপ্ত হয়, যেখানে দুজনেই গুলিবিদ্ধ হন। গুলির প্রভাবের ফলে উভয়ের শারীরিক অবস্থা তীব্রভাবে খারাপ হয়ে যায়।

আহতদের তৎক্ষণাৎ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। ফারুকের অবস্থা সেখানে দ্রুত অবনতি হয়, ফলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়। সাইফুল ইসলাম কক্সবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঢাকায় পৌঁছানোর পর ফারুককে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা সত্ত্বেও তার শারীরিক অবস্থা উন্নত না হয়ে, তিনি লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় ২৮ ডিসেম্বর ভোরের দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে ফারুকের শারীরিক অবস্থা গুলিবিদ্ধ গুরুতর অবস্থায় ছিল এবং তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তার পরিবার ও সহকর্মীরা শোক প্রকাশ করে এবং তার রাজনৈতিক অবদানকে স্মরণ করে।

সাইফুল ইসলামও একই হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং বর্তমানে কক্সবাজারের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চলমান। তার স্বাস্থ্যের অবস্থা স্থিতিশীল হলেও গুরুতর আঘাতের কারণে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসন প্রয়োজন হতে পারে।

উভয় নেতাই বিএনপি দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যা স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে এই হামলাকে আরও জটিল করে তুলেছে। তবে বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দিক থেকে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি।

হামলার পর কক্সবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শমি উদ্দিন জানান, পুলিশ দ্রুত তদন্ত চালিয়ে বান্দরবানের লামা উপজেলায় অবস্থিত একটি রিসোর্ট থেকে পাঁচজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে।

শমি উদ্দিনের মতে, গ্রেফতারের পর তদন্ত চলমান এবং সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কার্যক্রমের উপর ব্যাপক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য স্থানীয় এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।

আইনি দিক থেকে, গুলিবিদ্ধ দুজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী অপরাধের আইনে কঠোর শাস্তি আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট অপরাধী ও সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

ফারুকের মৃত্যু কক্সবাজারের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিবেশে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর কাছ থেকে এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলার পুনরাবৃত্তি রোধে ত্বরিত পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments