19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইউকে ডিআরসি-তে ভিসা সীমাবদ্ধতা আর অ্যাঙ্গোলা‑নামিবিয়ার প্রত্যাবর্তন চুক্তি

ইউকে ডিআরসি-তে ভিসা সীমাবদ্ধতা আর অ্যাঙ্গোলা‑নামিবিয়ার প্রত্যাবর্তন চুক্তি

ইউনাইটেড কিংডমের হোম অফিস শনিবার রাতের বিবৃতিতে জানিয়েছে যে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কংগো (ডিআরসি) এর ওপর নতুন ভিসা সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের পেছনে ডিআরসি সরকারের অমিলপূর্ণ সহযোগিতা এবং অবৈধ অভিবাসী ও অপরাধী নাগরিকদের প্রত্যাবর্তন নীতির প্রতি অমনোযোগ রয়েছে। একই সময়ে, অ্যাঙ্গোলা ও নামিবিয়া উভয় দেশই তাদের নাগরিকদের প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

ডিআরসি-কে দ্রুত ভিসা সেবা এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। হোম অফিসের মতে, ডিআরসি আর যুক্তরাজ্যের নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় এই সুবিধা বাতিল করা হয়েছে। ফলে ডিআরসি নাগরিকদের জন্য দ্রুত ভিসা প্রক্রিয়া আর উপলব্ধ থাকবে না।

হোম ডিপার্টমেন্টের সেক্রেটারি শাবানা মাহমুদ উল্লেখ করেছেন যে, ডিআরসি সহযোগিতা না বাড়ালে ভিসা নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণভাবে আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, প্রত্যেক দেশের নাগরিকের যদি যুক্তরাজ্যে থাকার অধিকার না থাকে, তবে সেই দেশকে তাদের নিজ দেশে ফেরত দিতে হবে।

মাহমুদের বক্তব্যে তিনি যুক্তরাজ্যের সীমান্ত সুরক্ষার জন্য গৃহীত নতুন পদক্ষেপের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছিলেন, “ডিআরসি এখনই তাদের নাগরিকদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে হবে, না হলে ভিসা সুবিধা হারাবে।” এই মন্তব্যে তিনি অ্যাঙ্গোলা ও নামিবিয়ার সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন এবং ডিআরসিকে একই রকম দায়িত্ব নিতে আহ্বান জানিয়েছেন।

অ্যাঙ্গোলা ও নামিবিয়া উভয় দেশই যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে তাদের নাগরিকদের প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া দ্রুততর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই চুক্তিগুলি শাবানা মাহমুদের গত মাসে ঘোষিত বিস্তৃত অভিবাসন সংস্কার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ডিআরসি, অ্যাঙ্গোলা ও নামিবিয়া থেকে এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে হোম অফিসের বিবৃতি অনুযায়ী, এই দেশগুলোর সঙ্গে চলমান আলোচনা ভবিষ্যতে কীভাবে এগোবে তা নির্ধারণ করবে।

গত মাসে শাবানা মাহমুদ নতুন অভিবাসন নীতি উন্মোচন করেন, যেখানে শরণার্থী অবস্থাকে অস্থায়ী করা এবং অবৈধভাবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশকারী ব্যক্তিদের দ্রুত ডিপোর্টেশন নিশ্চিত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। এই নীতি অনুযায়ী, শরণার্থী ও তাদের সন্তানদের সুরক্ষা কমিয়ে, সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো হবে।

কেইর স্টারমারের কেন্দ্র-বাম সরকার এই সংস্কারকে দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক সংহতি রক্ষার জন্য অপরিহার্য বলে প্রকাশ করেছে। সরকার দাবি করে যে, অনিয়মিত অভিবাসনের প্রবাহ কমাতে এই পদক্ষেপগুলো প্রয়োজনীয়, বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডানপন্থী গোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান বিরক্তি মোকাবেলায়।

এই বছর যুক্তরাজ্যে ছোট নৌকায় ৩৯,০০০ এর বেশি মানুষ অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে, যা গত বছরের তুলনায় কম হলেও ২০২২ সালের রেকর্ডের চেয়ে এখনও বেশি। অধিকাংশ অভিবাসী সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে পালিয়ে আসছে এবং তাদের মধ্যে অনেকেই শরণার্থী সুরক্ষার দাবি করে।

হোম অফিসের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিআরসির সঙ্গে সহযোগিতা না বাড়লে ভিসা নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণভাবে আরোপ করা হতে পারে, আর অ্যাঙ্গোলা ও নামিবিয়ার সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের সীমান্তে অননুমোদিত প্রবেশ কমানো হবে। এই পদক্ষেপগুলো দেশের অভিবাসন নীতি পুনর্গঠন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

৮৯/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: আল জাজিরা
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments