ঢাকা‑ময়মনসিংহ রেললাইন গতকাল বিকেলে বিএনপি কর্মীদের দ্বারা রেলপথে বাধা আর অগ্নিকাণ্ডের মুখে পড়ে, ফলে নৌকা ও ট্রেন চলাচল নয় ঘণ্টা স্থগিত থাকে। আজ সকালবেলায় রেল পরিষেবা পুনরায় চালু হয়ে যাত্রীদের স্বস্তি প্রদান করেছে। এই রেললাইন দেশের প্রধান পরিবহন ধারা হিসেবে দৈনন্দিন যাতায়াত ও বাণিজ্যিক চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাধা গফারগাঁও শিবগঞ্জ রেলক্রসিং-এ বিকেল চারটায় শুরু হয়, যেখানে কর্মীরা রেলপথে আগুন জ্বালিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়। অগ্নিকাণ্ড দ্রুতই রেলপুলিশ ও স্থানীয় দমকল দল দ্বারা নিভিয়ে নেওয়া হয়, তবে আগুনের ধোঁয়া ও ধ্বংসাবশেষ রেলপথ পরিষ্কারের কাজকে দীর্ঘায়িত করে। রেলপথে বাধা প্রায় রাত একটায় শেষ হয়, যখন নিরাপত্তা বাহিনীর হস্তক্ষেপে আগুন নিভে যায় এবং রেলপথ পরিষ্কার হয়।
বাধার মূল দাবি ছিল গফারগাঁও (ময়মনসিংহ‑১০) নির্বাচনী প্রার্থী মোহাম্মদ আকতারুজ্জামানের মনোনয়ন বাতিল করা। এই প্রার্থীকে বিএনপি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, তবে কিছু স্থানীয় নেতা ও সমর্থক তাদের প্রত্যাখ্যানের প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে। তারা দাবি করে যে মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বজায় রাখা হয়নি, ফলে রেলপথে প্রতিবাদকে শেষ উপায় হিসেবে বেছে নেয়।
ময়মনসিংহ সরকারী রেলপুলিশ স্টেশনের অফিসার‑ইন‑চার্জ মো. আকতার হোসেন জানান, শিবগঞ্জ রেলক্রসিং-এ বাধা ৪টা থেকে রাত একটায় পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। রেলপথে আগুন জ্বালিয়ে চলাচল বন্ধ করার ফলে রেলগাড়ি গুলো বিভিন্ন স্টেশনে আটকে রইল। পুলিশ দল বাধা ভাঙার সময় রেলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করে এবং অগ্নিকাণ্ডের পরিস্কার কাজ ত্বরান্বিত করে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত সুপারিনটেন্ডেন্ট (প্রশাসন) মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের মতে, মনোনয়ন বাতিলের দাবি নিয়ে বিএনপি নেতাদের সমর্থকরা রেলপথে বাধা সৃষ্টি করে। এই প্রতিবাদ রেল চলাচলকে দীর্ঘ সময়ের জন্য স্থবির করে তুলেছে, ফলে ঢাকা‑ময়মনসিংহ রুটের বহু ট্রেনের যাত্রা বিলম্বিত হয়। রেল বিভাগ জানায়, বাধা চলাক



