19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর ব্যয়সীমা ও ভোটার সংখ্যা অনুযায়ী সীমা নির্ধারণ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর ব্যয়সীমা ও ভোটার সংখ্যা অনুযায়ী সীমা নির্ধারণ

নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ২৫ লাখ টাকা নির্ধারিত হয়েছে; তবে ভোটার সংখ্যা দুই লাখ পঞ্চাশ হাজারের বেশি হলে প্রতি ভোটার দশ টাকা হারে অতিরিক্ত ব্যয় অনুমোদিত হবে। এই নীতি ভোটারসংখ্যা ও ব্যয়সীমার সমন্বয় নিশ্চিত করে সমান সুযোগের ভিত্তি গড়ে তুলতে চায়।

আড়াই লাখের কম ভোটারযুক্ত তিনটি আসনে প্রার্থীরা ২৫ লাখ টাকার বেশি ব্যয় করতে পারবে না, কারণ এখানে প্রতি ভোটার দশ টাকা হারের প্রয়োগ হয় না। বাকি ২৯৭টি আসনে ভোটারসংখ্যা আড়াই লাখের উপরে, ফলে প্রার্থীরা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে অতিরিক্ত ব্যয় করতে পারবে।

এই ২৯৭টি আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা গাজীপুর-২ আসনে নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে প্রার্থী সর্বোচ্চ ৮০ লাখ ৪৩ হাজার ৩৩০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে পারবে। গাজীপুর-২ এর ভোটারসংখ্যা আট লাখের বেশি, যা দেশের সর্বোচ্চ ভোটারসংখ্যা যুক্ত আসন হিসেবে চিহ্নিত।

সম্পূর্ণ ৩০০টি সংসদীয় আসনের মোট ভোটারসংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি, যা দেশের বৃহত্তম নির্বাচনী পরিসর নির্দেশ করে। তফসিল ঘোষণার পর রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের ব্যয়ের বিবরণী জমা দিতে হবে, যাতে নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যয় নিশ্চিত করা যায়।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর নির্ধারিত, এবং প্রার্থীরা ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রত্যাহার করতে পারবেন। পরের দিন, ২১ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ করা হবে, এবং তাৎক্ষণিকভাবে সকল প্রার্থীর ব্যয় হিসাব জমা দিতে হবে।

নির্বাচনি আইনে সাম্প্রতিক সংশোধনী অনুযায়ী ভোটার প্রতি দশ টাকা ব্যয়ের সীমা প্রবর্তন করা হয়েছে, যা পূর্বের নিয়মের তুলনায় ব্যয়সীমা বাড়িয়ে দেয়। এই পরিবর্তন বড় ভোটারসংখ্যা বিশিষ্ট আসনে প্রার্থীদের জন্য অতিরিক্ত তহবিল সংগ্রহের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

সবচেয়ে কম ভোটারযুক্ত আসন ঝালকাঠি-১, যেখানে মাত্র ২,২৮,৪৩১ ভোটার রয়েছে; আর সর্বোচ্চ ভোটারসংখ্যা গাজীপুর-২ তে আট লাখের বেশি। এই পার্থক্য ব্যয়সীমার বৈচিত্র্যকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

ভোটারসংখ্যা অনুযায়ী আসনের বণ্টনও প্রকাশিত হয়েছে: দুই থেকে তিন লাখ ভোটারযুক্ত ২০টি আসন, তিন থেকে চার লাখ ভোটারযুক্ত ১০৩টি আসন, এবং সাত থেকে আট লাখ ভোটারযুক্ত তিনটি আসন (ঢাকা-১৯, গাজীপুর-১, নোয়াখালী-৪)।

ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪৩ হাজারের বেশি, যেখানে প্রতিটি কেন্দ্র প্রায় দুই লাখ পঞ্চাশ হাজার ভোটার পর্যন্ত সেবা দিতে সক্ষম। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে এই কেন্দ্রগুলো পরিচালিত হবে।

সংসদীয় নির্বাচনের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত, একই দিনে জাতীয় সনদে গণভোটেরও ব্যবস্থা রয়েছে। এই সমন্বয় ভোটার অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে এখন প্রতিটি আসনের ভোটারসংখ্যা ও ব্যয়সীমা বিবেচনা করে ক্যাম্পেইন পরিকল্পনা সাজাতে হবে; বড় ভোটারসংখ্যা বিশিষ্ট আসনে তহবিল সংগ্রহ ও ব্যয় কৌশল বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

অবশেষে, ব্যয়সীমা ও ভোটারসংখ্যার স্পষ্ট নির্ধারণ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে এবং সকল প্রার্থীর জন্য সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments