পাবলি ব্যাংক পাবলিক লিমিটেড ২৪ ডিসেম্বর তারিখে তার ১,৫০০তম বোর্ড অব ডিরেক্টরস মিটিং আয়োজন করে, যা ব্যাংকের শাসন, নিয়ন্ত্রক মানদণ্ড ও কৌশলগত নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে। মিটিংটি ব্যাংকের সদর দফতরে অনুষ্ঠিত হয় এবং উপস্থিতি ছিল প্রাক্তন ও বর্তমান শীর্ষ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে।
বোর্ডের সভাপতিত্ব করেন মনজুরুর রহমান, যিনি ১৯৮৫ সালের জানুয়ারিতে ব্যাংকটি বেসরকারি খাতে রূপান্তরের পর প্রথম মিটিংয়ের চেয়ারম্যানও ছিলেন। চার দশকেরও বেশি সময়ে একই ব্যক্তির নেতৃত্বে মিটিং অনুষ্ঠিত হওয়া ব্যাংকের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন হাবিবুর রহমান, রুমানা শারিফ, আজিজুর রহমান, রানা লায়লা হাফিজ, আরিফ আহমেদ চৌধুরী এবং শাহিনুজ্জামান যাকুব, যাঁরা বর্তমান বোর্ডের সদস্য। এই সদস্যগণ ব্যাংকের নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
স্বাধীন পরিচালক হিসেবে শাহদিন মালিক ও মোহাম্মদ নাউশাদ আলি চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন, আর বিকল্প পরিচালক নাদির আহমেদও মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীন ও বিকল্প পরিচালকদের অংশগ্রহণ শাসনব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও স্বতন্ত্রতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মোহাম্মদ আলি মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তার নেতৃত্বে ব্যাংকটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আর্থিক স্থিতিশীলতা ও বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান বজায় রেখেছে।
অন্যান্য উপস্থিত কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইশা, জেনারেল ম্যানেজার ও সিএফও মোহাম্মদ লিটন মিয়া, জেনারেল ম্যানেজার ও কোম্পানি সেক্রেটারি মো. আনিসুর রহমান এবং পাবলি ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার ও চিফ প্রোটোকল অফিসার মো. শাহ আলম। এ সকল কর্মকর্তা ব্যাংকের দৈনন্দিন পরিচালনা ও কৌশলগত পরিকল্পনায় মূল ভূমিকা রাখেন।
১,৫০০তম মিটিংয়ের এই মাইলফলক শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা ও নিয়ন্ত্রক মানদণ্ডের প্রতি ব্যাংকের অঙ্গীকারকে পুনরায় জোরদার করে। দীর্ঘমেয়াদী শাসন কাঠামো শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা বৃদ্ধি এবং ঋণদাতাদের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে সহায়তা করে।
বাজার বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, এ ধরনের ধারাবাহিকতা পাবলি ব্যাংকের শেয়ার মূল্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ বিনিয়োগকারীরা স্বচ্ছ ও স্থিতিশীল শাসনকে মূল্যায়ন করেন। একই সঙ্গে, নিয়মিত বোর্ড মিটিং ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণে সহায়ক।
ব্যাংকটি পূর্বে ২০২৫ সালের শেষের দিকে একটি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সম্মেলনও আয়োজন করেছিল, যা শাসন ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বকে তুলে ধরেছে। এই দুইটি ইভেন্ট একসঙ্গে ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও বাজারে অবস্থানকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে।
অন্যদিকে, দেশের রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য অবস্থা জটিল ও সংকটময় পর্যায়ে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তার বর্তমান অবস্থার তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে জনসাধারণকে অবহিত করা হয়েছে।
সারসংক্ষেপে, ১,৫০০তম বোর্ড মিটিং পাবলি ব্যাংকের শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি পুনরায় নিশ্চিত করেছে। ভবিষ্যতে ব্যাংকটি এই ভিত্তিতে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করা যায়।



