20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeপ্রযুক্তিপ্রেস সচিবের বক্তব্য: সাংবাদিকদের এআই লিটারেসি অপরিহার্য

প্রেস সচিবের বক্তব্য: সাংবাদিকদের এআই লিটারেসি অপরিহার্য

ডাক্তারী তথ্যের দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিবেশে, প্রেস সচিব ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে জানিয়েছেন যে সাংবাদিকদের এআই লিটারেসি থাকা এখন আর বিকল্প নয়। তিনি উল্লেখ করেন, ডিজিটাল টুলের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিডিয়া কর্মীদের এআই প্রযুক্তির মৌলিক ধারণা ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন করা জরুরি।

এআই প্রযুক্তি সংবাদ সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রকাশের প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে তুলেছে। স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপশন, বিষয়বস্তু তৈরি এবং ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন টুলের মাধ্যমে সাংবাদিকরা কম সময়ে বেশি তথ্য উপস্থাপন করতে পারছেন। তবে এই সুবিধার সঙ্গে সঙ্গে ভুল তথ্যের ঝুঁকি ও নৈতিক প্রশ্নও উত্থাপিত হচ্ছে।

প্রেস সচিবের মতে, এআই টুলের ভুল ব্যবহার বা অজানা সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অজ্ঞতা মিডিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই, সাংবাদিকদের এআই ভিত্তিক কন্টেন্টের উৎস যাচাই, ডিপফেক চিত্র ও ভিডিও শনাক্তকরণ, এবং অ্যালগরিদমের পক্ষপাত বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা থাকা দরকার।

এই প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য সরকার ও মিডিয়া সংস্থাগুলি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা করেছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি যৌথভাবে এআই সচেতনতা কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজনের কথা জানিয়েছে। এসব প্রশিক্ষণে এআই টুলের ব্যবহারিক দিক, নৈতিক দায়িত্ব এবং আইনি দিকনির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, এআই লিটারেসি শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত জ্ঞান নয়, বরং তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য সমালোচনামূলক চিন্তাধারার বিকাশেরও অংশ। সাংবাদিকরা যখন এআই সহায়তায় রিপোর্টিং করেন, তখন তাদের উচিত ফলাফলকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে পুনর্মূল্যায়ন করা।

প্রেস সচিবের বক্তব্যে এআই লিটারেসি অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে পাঠ্যক্রমে সংশ্লিষ্ট বিষয় যুক্ত করার কথাও উঠে এসেছে। সাংবাদিকতা ও যোগাযোগ বিভাগগুলোতে এআই ভিত্তিক গবেষণা ও ব্যবহারিক প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়েছে।

এছাড়া, মিডিয়া সংস্থাগুলোর অভ্যন্তরীণ নীতি ও গাইডলাইন আপডেটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। এআই টুলের ব্যবহার অনুমোদন, ডেটা সুরক্ষা এবং গোপনীয়তা রক্ষার জন্য স্পষ্ট মানদণ্ড স্থাপন করা হবে।

প্রেস সচিবের মতে, এআই লিটারেসি অর্জন করলে সাংবাদিকরা দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণ, কাস্টমাইজড কন্টেন্ট তৈরি এবং পাঠকের সঙ্গে ইন্টারেক্টিভ সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হবেন। এভাবে মিডিয়া শিল্পের উৎপাদনশীলতা ও গুণগত মান উভয়ই উন্নত হবে।

তবে, এআই প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জও বাড়ছে। তাই, প্রশিক্ষণে সাইবার হুমকি সনাক্তকরণ এবং ডেটা সুরক্ষার মৌলিক নীতিগুলোর ওপর জোর দেওয়া হবে।

মিডিয়া সংস্থাগুলো ইতিমধ্যে এআই টুলের ব্যবহার শুরু করেছে, তবে ব্যাপক প্রশিক্ষণ ছাড়া তা সীমিত ফলাফল দেবে। প্রেস সচিবের আহ্বান অনুযায়ী, সকল সাংবাদিককে এআই লিটারেসি অর্জনের জন্য স্বেচ্ছাসেবী ও বাধ্যতামূলক উভয় ধরনের প্রশিক্ষণে অংশ নিতে উৎসাহিত করা হবে।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল, ডিজিটাল যুগে তথ্যের গুণগত মান বজায় রেখে, সাংবাদিকতা পেশাকে ভবিষ্যৎপ্রস্তুত করা। এআই লিটারেসি অর্জনকারী সাংবাদিকরা তথ্যের সঠিকতা, নৈতিকতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে পাঠকের আস্থা পুনর্গঠন করতে পারবেন।

প্রেস সচিবের শেষ মন্তব্যে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এআই লিটারেসি না থাকলে সাংবাদিকতা দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিগত পরিবেশে পিছিয়ে পড়বে। তাই, এখনই প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা দেশের মিডিয়া কাঠামোর জন্য অপরিহার্য।

৭৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বাংলানিউজ২৪
প্রযুক্তি প্রতিবেদক
প্রযুক্তি প্রতিবেদক
AI-powered প্রযুক্তি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments