19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিতারেক রহমানের মন্তব্যে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ শক্তি বলা হল

তারেক রহমানের মন্তব্যে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ শক্তি বলা হল

ঢাকা, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ – সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট তারেক রহমান আজ দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “মানুষ একসাথে থাকলে বাংলাদেশ সবচেয়ে শক্তিশালী হয়”। এই মন্তব্যটি রাজধানীর একটি মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সমাবেশে দেওয়া হয়, যেখানে তিনি দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো উল্লেখ করেন।

তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধান সংবাদ সংস্থাগুলোর একটির দীর্ঘমেয়াদী কর্মী, যার কাজের মধ্যে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, নির্বাচনী কভারেজ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিপোর্ট অন্তর্ভুক্ত। তিনি গত কয়েক মাসে দেশের অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে ঘটমান গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবেদন করেছেন।

সমাবেশে তিনি জোর দিয়ে বলেন, জাতির শক্তি তার জনগণের সংহতি ও সমন্বয়ে নির্ভরশীল। তিনি উল্লেখ করেন, “যদি আমরা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করি, তবে দেশীয় ও বৈদেশিক হুমকির মোকাবিলা সহজ হবে”। তার এই বক্তব্যের পেছনে সাম্প্রতিক সময়ে সামুদ্রিক মিসাইল পরীক্ষা, সীমান্তে অস্ত্র পাচার এবং নিরাপত্তা অবনতির উদ্বেগ রয়েছে।

বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি তীব্রতর হওয়ায় সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই ঐক্যের আহ্বান জানাচ্ছে। বিশেষ করে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি চলাকালীন, রাজনৈতিক দলগুলোকে সমন্বিত নীতি গঠন ও জনগণের আস্থা অর্জন করা জরুরি বলে বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন।

বিএনপি ও আওয়ামী লীগ উভয়ই দেশের সংহতি বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছে। যদিও পার্টিগুলোর মধ্যে নীতি ও কৌশলে পার্থক্য রয়ে গেছে, তবে উভয় পক্ষই জনগণের নিরাপত্তা ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে সম্মত হয়েছে।

তারেকের পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে তিনি একই বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন, যেখানে তিনি দেশের ঐক্যবদ্ধ শক্তি ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করেন। এই ধারাবাহিকতা তার বর্তমান মন্তব্যকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে।

সাম্প্রতিক দুই দিনের নৌবাহিনীর মিসাইল ফায়ারিং এবং সীমান্তে অস্ত্র সঞ্চার সংক্রান্ত ঘটনা নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগকে বাড়িয়ে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে তারেকের ঐক্যবদ্ধতার আহ্বানকে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোও ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে।

জনসাধারণের দৃষ্টিকোণ থেকে, বহু নাগরিক সামাজিক মিডিয়ায় তারেকের মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দেশের উন্নয়নের জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায় মানুষ একসাথে কাজ করার মাধ্যমে সামাজিক সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে তারা বিশ্বাস করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, ঐক্যের বার্তা যদি বাস্তব নীতি ও কর্মে রূপান্তরিত হয়, তবে সরকার নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও সামাজিক কল্যাণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারবে। তবে তা বাস্তবায়নের জন্য সকল রাজনৈতিক দলকে স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা এবং সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি চলাকালীন, সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে ঐক্যের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত কর্মসূচি গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় নাগরিক সমাজ, ব্যবসা সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে।

সংক্ষেপে, তারেক রহমানের ঐক্যবদ্ধতার ওপর জোর দেওয়া মন্তব্য দেশের বর্তমান নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যদি জনগণ একসাথে কাজ করে, তবে বাংলাদেশ তার সর্বোচ্চ শক্তি অর্জন করতে সক্ষম হবে।

৭৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বাংলানিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments