22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাউত্তরপ্রদেশে মোবাইল‑এআই অভিযোগে শাস্তি পেয়ে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আত্মহত্যা

উত্তরপ্রদেশে মোবাইল‑এআই অভিযোগে শাস্তি পেয়ে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আত্মহত্যা

উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডা পশ্চিমে ১৬ বছর বয়সী এক দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একটি পরীক্ষার সময় মোবাইল ফোন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করার অভিযোগে শাস্তি পেয়ে আত্মহত্যা করেন। শিক্ষিকাদের দ্বারা মোবাইল জব্দ এবং এআই ব্যবহার সন্দেহের ভিত্তিতে শাস্তি দেওয়ার পরপরই কিশোরী আত্মহত্যা করে। ঘটনা স্থানীয় স্কুলের অভ্যন্তরে ঘটেছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

প্রশ্নপত্রের দিনটি ছিল ২৩ ডিসেম্বর, যখন ওই কিশোরী তার দশম শ্রেণির সমাপ্তি পরীক্ষা দিচ্ছিল। তার বয়স ১৬ বছর এবং সে পরীক্ষার সময় মোবাইল ফোন বহন করছিল বলে শিক্ষকগণ সন্দেহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে, শিক্ষিকারা দাবি করেন যে শিক্ষার্থী এআই ভিত্তিক কোনো সহায়তা ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল।

শিক্ষিকারা মোবাইলটি তৎক্ষণাৎ জব্দ করে এবং শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তা তুলে নেয়। এরপর তাকে সরাসরি পরীক্ষার হল থেকে বের করে নিয়ে গিয়ে শাস্তি দেওয়ার কথা জানানো হয়। শাস্তি সম্পর্কে শিক্ষিকারা জানান যে তারা বিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অফিসে নিয়ে গিয়ে অতিরিক্ত শাস্তি আরোপ করা হয়। শাস্তির ধরন ও মাত্রা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য না থাকলেও, বিদ্যালয় কর্তৃক তা কঠোর হলেও যথাযথ বলে বিবেচিত হয়েছে। শাস্তি শেষে শিক্ষার্থীকে আবার পরীক্ষার হলের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।

শাস্তি প্রাপ্তির কয়েক ঘন্টার মধ্যে শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, তার দেহ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে পাওয়া যায়। আত্মহত্যার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি, তবে ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা দল হস্তক্ষেপ করে।

শিক্ষার্থীর পিতা ঘটনাটিকে মানসিক হেনস্থা এবং জনসমক্ষে অপমানের অভিযোগে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তার মেয়ের উপর অতিরিক্ত চাপ আরোপ করা হয়েছে এবং শাস্তি প্রক্রিয়ায় তাকে অবমাননাকরভাবে আচরণ করা হয়েছে। পিতার দাবি অনুযায়ী, শিক্ষিকারা শিক্ষার্থীর মানসিক অবস্থা বিবেচনা না করে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন।

প্রধানশিক্ষিকা এই অভিযোগগুলো সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেন। তিনি জানান, মোবাইল জব্দের পর বিদ্যালয়ের গাইডলাইন অনুসারে যথাযথ শাস্তি প্রদান করা হয়েছে এবং কোনো নিয়ম ভঙ্গ করা হয়নি। শিক্ষার্থীর প্রতি কোনো অপমানজনক বা হেনস্থার কথা বলা হয়নি, এ কথাও তিনি জোর দিয়ে বলেন।

ঘটনার সময় ক্যামেরা রেকর্ড করা সিসি টিভি ফুটেজ বিদ্যালয় থেকে পুলিশকে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফুটেজে শিক্ষার্থীকে মোবাইল জব্দের পর কীভাবে শাস্তি দেওয়া হয়েছে তা স্পষ্টভাবে দেখা যাবে বলে বলা হচ্ছে।

পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষিক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত চালিয়ে যাবে। প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের পর যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার সময় মোবাইল ও এআই ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব এবং শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নের প্রয়োজনীয়তা পুনরায় জোর দেওয়া হয়েছে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যে, পরীক্ষার নিয়ম মেনে চলা এবং মানসিক চাপের সময় পেশাদার সহায়তা নেওয়া উচিত।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments