বিএনপি কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার কন্যা জাইমা রহমানের ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া আজ সম্পন্ন হয়েছে; ইসিসি আগামীকাল (রবিবার) তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ইসিসি সেক্রেটারি আকতার আহমেদ আজ বিকালে মিডিয়াকে জানিয়েছেন যে, উভয়ই ঢাকা‑১৭, ওয়ার্ড নং ১৯-এ ভোটার হিসেবে আবেদন করেছেন।
আজ সকাল থেকে তারেক ও জাইমা দুজনই ইসিসি অফিসে গিয়ে ফর্ম‑২ পূরণ, ছবি তোলা, বায়োমেট্রিক ও আইরিস ডেটা প্রদানসহ সব ধাপ সম্পন্ন করেছেন। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাদের নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়া হয়েছে।
ইসিসি সেক্রেটারি উল্লেখ করেছেন, ভোটার তালিকা আইন ২০০৯-এর ধারা ১৫ অনুযায়ী কমিশনকে যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক ও যোগ্য নাগরিককে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অধিকার রয়েছে। তাই আজকের আবেদনটি আইনগত ভিত্তিতে স্বীকৃত এবং পর্যালোচনার জন্য প্রস্তুত।
নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পরেও ন্যাশনাল আইডি (এনআইডি) নম্বরের ইস্যু প্রক্রিয়া এখনও চলমান। সেক্রেটারি জানান, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, স্বাক্ষর, মুখের ছবি ও আইরিস ডেটা যাচাই করতে কিছু সময় লাগবে; যাচাই শেষ হলে এনআইডি নম্বর জারি করা হবে এবং তা আজকের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সিদ্ধান্তের সময়সূচি সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে সেক্রেটারি উল্লেখ করেন, ভোটার নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া, তবে এই বিষয়টি ফেব্রুয়ারি ১২ তারিখে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত। তাই ইসিসি আগামীকাল এই বিষয়টি কমিটির সামনে উপস্থাপন করবে এবং সিদ্ধান্তটি সভা অথবা লিখিত নথির মাধ্যমে নেওয়া হতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই পদক্ষেপকে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন, কারণ তারেক রহমানের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি হলে তিনি সরাসরি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। তবে ইসিসি এই সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে নেবে বলে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে।
ইসিসি আজকের দিনে তারেক ও জাইমা উভয়ের জন্য ভোটার রেজিস্ট্রেশন ফর্মের পূরণ, ফটো তোলা, বায়োমেট্রিক ও আইরিস ডেটা সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে। উভয়ের আবেদন ধারা ১৫ অনুযায়ী বৈধ এবং পর্যালোচনার জন্য প্রস্তুত।
এছাড়া, এনআইডি নম্বরের ইস্যু প্রক্রিয়া এখনও যাচাই পর্যায়ে রয়েছে; সেক্রেটারি আশাবাদী যে আজকের মধ্যে যাচাই শেষ হয়ে নম্বর জারি হবে। এই ধাপটি সম্পন্ন হওয়ার পর ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি চূড়ান্ত হবে।
ইসিসি আগামীকাল এই বিষয়টি কমিটির সামনে উপস্থাপন করবে এবং ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। সিদ্ধান্তটি সভা অথবা লিখিত নথির মাধ্যমে নেওয়া হতে পারে, যা নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এই পদক্ষেপের ফলে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি ১২ তারিখে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনে তারেক ও জাইমা উভয়ের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা বাড়বে, যা দেশের রাজনৈতিক গতিপথে নতুন দিকনির্দেশনা আনতে পারে। ইসিসি সকল প্রক্রিয়াকে আইনি বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালনা করবে বলে জোর দিয়েছে।
সারসংক্ষেপে, আজকের ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ইসিসি আগামীকাল তারেক ও জাইমা রহমানের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে; এনআইডি নম্বরের ইস্যু প্রক্রিয়াও সমাপ্তির পথে রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক প্রভাব এবং নির্বাচনী প্রস্তুতির সঙ্গে এর সংযোগ ভবিষ্যতে স্পষ্ট হবে।



