22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে ১৫ বছর পর টেস্ট জয় অর্জন

ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে ১৫ বছর পর টেস্ট জয় অর্জন

মেলবোর্নের মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ৯২,০৪৫ দর্শকের সমর্থনে ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চতুর্থ অ্যাশেস টেস্টে দুই দিনের মধ্যে বিজয় নিশ্চিত করে। প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়া মাত্র ১৩২ রানে আটকে যায়, ফলে ইংল্যান্ডকে ১৭৫ রানে লক্ষ্য করে তাড়া করতে হয়। শেষ পর্যন্ত চার উইকেটের পার্থক্যে ইংল্যান্ড জয়লাভ করে, হ্যারি ব্রুক ১৮ রান এবং জেমি স্মিথ ৩ রান যোগ করে দলকে সাফল্যের পথে নিয়ে যায়।

ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন‑আপে জ্যাকব বেটহেল ৪০ এবং জ্যাক ক্রলি ৩৭ রানে অবদান রাখে, যা টিমের মোট স্কোরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অস্ট্রেলিয়ার ২০টি উইকেট প্রথম দিনেই পড়ে, ফলে তাদের মোট স্কোর কমে যায় এবং ইংল্যান্ডের জন্য লক্ষ্য সহজ হয়ে যায়।

ইংল্যান্ডের প্রথম তিনটি টেস্টে পরাজয় এবং মাঝের বিরতিতে দলের মধ্যে অতিরিক্ত মদ্যপানের অভিযোগের পরেও, মেলবোর্নে তারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মাঠে নামায়। এই জয় তাদেরকে সিডনি তে শেষ টেস্টের জন্য উজ্জ্বল মনোভাব নিয়ে প্রস্তুত করে।

ইংল্যান্ডের অস্ট্রেলিয়ায় শেষ জয় ছিল জানুয়ারি ২০১১ সালে সিডনিতে, এরপর থেকে ১৬টি পরাজয় এবং ২টি ড্রের পর এই জয়টি আসে। ওপেনার জ্যাক ক্রলি এবং বেন ডাকেটের লক্ষ্য ছিল এই দীর্ঘ হার ভাঙা, এবং তারা উভয়েই আক্রমণাত্মক “বাজবল” শৈলীতে খেলতে প্রস্তুত ছিল।

ডাকেটের প্রথম ওভারে মিচেল স্টার্কের কাছে একটি বাউন্ডারি মারার পর, ক্রলি মাইকেল নেসারের ওপর ছয় এবং চারের ধারাবাহিকতা দিয়ে দ্রুত অর্ধশতক পূর্ণ করে। তবে ডাকেটের ৩৪ রানে আউট হওয়া স্টার্কের একটি ইয়র্কার দিয়ে শেষ হয়।

দ্রুত গতি সম্পন্ন ব্রাইডন কার্সকে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে অপ্রত্যাশিতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তবে তার উপস্থিতি মাত্র আট বোলের পরই শেষ হয়, যখন তিনি ঝাই রিচার্ডসনকে ক্যামারন গ্রীনের দিকে ছুঁড়ে দেন।

ক্রলি স্কট বোল্যান্ডের এলবিডব্লিউতে আউট হয়ে যায়, আর বেটহেল একই বোলার থেকে উসমান খাওয়াজার দ্বারা ধরা পড়ে। উভয়ই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আউট হয়ে থাকে, তবে তাদের আগে করা স্কোরগুলো টিমকে লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে।

ইংল্যান্ডের ফাস্ট বোলার ব্রাইডন কার্সের পরিবর্তে বেটহেলকে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কৌশল ছিল। যদিও কার্সের পারফরম্যান্স সীমিত ছিল, তবু তার দ্রুত গতি অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদের উপর চাপ সৃষ্টি করে।

মেলবোর্নে ম্যাচের সময় ইংল্যান্ডের ভক্ত দল “বার্মি আর্মি” উল্লাসের সঙ্গে সমর্থন জানায়, যা মাঠের পরিবেশকে উচ্ছ্বসিত করে। দর্শকরা ধারাবাহিকভাবে চিৎকার করে খেলোয়াড়দের উত্সাহিত করে, যা দলের মনোবল বাড়াতে সহায়তা করে।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইন‑আপের মধ্যে মাইকেল নেসার এবং ঝাই রিচার্ডসন উল্লেখযোগ্য ছিলেন, তবে উভয়েরই পারফরম্যান্স প্রত্যাশিত স্তরে পৌঁছাতে পারেনি। স্টার্কের প্রথম ওভারে ডাকেটের আউট হওয়া এবং বোল্যান্ডের লব্বি ক্যাচগুলো অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায়।

ইংল্যান্ডের জয়কে পরবর্তী সিডনি টেস্টের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে দলটি শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত রেকর্ড গড়ার সুযোগ পাবে। এই জয়টি দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় এবং ভবিষ্যৎ ম্যাচে তাদের কৌশলগত পরিকল্পনা নির্ধারণে সহায়তা করবে।

সারসংক্ষেপে, ইংল্যান্ডের মেলবোর্নে জয়টি ১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট জয়ের শেষ দিকটি চিহ্নিত করে, এবং দলটি এখন সিডনি তে শেষ টেস্টের জন্য প্রস্তুত, যেখানে তারা অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ রেকর্ড গড়ার লক্ষ্য রাখবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments