20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিগিনি ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, বর্তমান শাসকরা প্রধান প্রার্থী

গিনি ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, বর্তমান শাসকরা প্রধান প্রার্থী

রবিবার গিনি ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র (সিএআর) দুইটি স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিক ভোটের মাধ্যমে সাত বছরের মেয়াদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে। উভয় দেশে প্রাথমিক পর্যায়ে ভোটের ফলাফলে ৫০ শতাংশের বেশি পেয়ে সরাসরি বিজয়ী ঘোষিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, ফলে রাউন্ড‑অফের দরকার না পড়তে পারে। বর্তমান শাসকরা এই নির্বাচনে অগ্রগণ্য প্রার্থী হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

গিনিতে, বর্তমান প্রেসিডেন্টের পুনর্নির্বাচনের প্রত্যাশা বেশ দৃঢ়, যদিও দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে কিছুটা অস্থিরতা রয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করছেন যে শাসক দলই ভোটের অধিকাংশ ভাগ পেতে সক্ষম হবে। তাই প্রথম রাউন্ডে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেলে রাউন্ড‑অফের সম্ভাবনা কমে যাবে।

মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের ক্ষেত্রে, দেশটি ভূগোলগতভাবে বিশাল ও ভূমিহীন, এবং দীর্ঘদিনের দারিদ্র্য ও নিরাপত্তা সমস্যার মুখোমুখি। ২০১৩ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত সময়ে আফ্রিকান, ফরাসি ও জাতিসংঘের শান্তি রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ ছাড়া দেশের গৃহযুদ্ধ আরও তীব্র হয়ে পড়ত, যা আন্তঃসম্প্রদায়িক সহিংসতা বাড়িয়ে দিত। এই বাহিনীর উপস্থিতি না থাকলে সংঘাতের মাত্রা আরও বাড়তে পারত।

বাঙ্গুই শহরে অবস্থিত সরকার, দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের দূরবর্তী এলাকায় প্রায়ই শাসন ক্ষমতা প্রয়োগে সমস্যার সম্মুখীন হয়। তবুও বহু দলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা মূলত টিকে আছে এবং বিরোধী গোষ্ঠী ও প্রতিবাদে কিছুটা সহনশীলতা দেখা যায়। এই সহনশীলতা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাতীয় পরিচয়ের অনুভূতি কিছুটা দৃঢ় হয়েছে; দুইটি প্রধান বিদ্রোহী গোষ্ঠী শান্তি প্রক্রিয়ায় ফিরে এসে অস্ত্র ত্যাগ ও পুনর্বাসন শুরু করেছে। এই গোষ্ঠীগুলোকে পুনরায় শান্তি আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে সহায়ক বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। ফলে সামগ্রিকভাবে সংঘাতের ঝুঁকি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মামলাগুলি বিচারের জন্য একটি বিশেষ আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যেখানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিচারক উভয়ই সেবা দিচ্ছেন। এই সংমিশ্রণ আদালতের স্বতন্ত্রতা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে সহায়তা করে। বিশেষ আদালত দেশের আইনি কাঠামোকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

প্রেসিডেন্ট ফস্টিন‑আর্চেঞ্জ টুয়াডেরা গণিতের পটভূমি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি প্রথমে ফ্রাঁসোয়া বোজিজেরের অধীনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন, পরে বিদ্রোহী শাসনের অস্থির সময় পার করে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে নির্বাচিত হন। তার শাসনকালে দেশটি পোস্ট‑কনফ্লিক্ট পর্যায়ে পৌঁছায় এবং সিভিল সোসাইটি সমর্থন পায়।

দ্বিতীয় মেয়াদের শেষের দিকে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে টুয়াডেরা আরও পার্টি ভিত্তিক ও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় রূপ ধারণ করেছেন। তার শাসনকালে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে ক্ষমতার কাঠামোকে নিজের দিকে ঝুঁকিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা দেখা গেছে। এই পরিবর্তনগুলোকে কিছু বিশ্লেষক পার্টি‑কেন্দ্রিকতা বাড়ার ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

গিনি ও সিএআর উভয়েরই নির্বাচনের ফলাফল দেশীয় নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলবে। গিনিতে শাসক দলের জয় হলে অর্থনৈতিক সংস্কার ও অব

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments