22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলানোয়াখালী এক্সপ্রেস ৬৫ রনের পার্থক্যে চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে পরাজিত

নোয়াখালী এক্সপ্রেস ৬৫ রনের পার্থক্যে চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে পরাজিত

বিপিএল দ্বাদশ মৌসুমের দ্বিতীয় ম্যাচে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ৬৫ রনের বড় ব্যবধানে চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে হেরে বিপিএল যাত্রা শুরু করেছে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় ২৬ ডিসেম্বর, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। উভয় দলের পারফরম্যান্স ও স্কোরের বিশ্লেষণ নিচে উপস্থাপন করা হল।

টস জিতে চট্টগ্রাম রয়্যালস প্রথমে ব্যাটিংয়ে এগিয়ে যায় এবং ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান তৈরি করে। টস জয়ের পর তারা ২০ ওভারের মধ্যে লক্ষ্য অর্জন করে, যা নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের শীর্ষ স্কোরার মির্জা তাহির বেগ ৮০ রান সংগ্রহ করেন, যেখানে তিনি ৬৯ balls-এ ৭টি চতুর্থি এবং ২টি ছক্কা মারেন। তার আক্রমণাত্মক খেলা দলকে দ্রুত রানের প্রবাহ বজায় রাখতে সাহায্য করে।

শেখ মেহেদী ২৬ রান তৈরি করেন, ১৩ balls-এ দ্রুত ইনিংস খেলেন এবং দলকে অতিরিক্ত রানের সাপোর্ট দেন। উভয় খেলোয়াড়ের সমন্বয় চট্টগ্রামকে ১৭৪ রনের মোট স্কোরে পৌঁছাতে সক্ষম করে।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের বোলিংয়ে তানভীর ইসলাম ৩টি উইকেট নিয়ে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখেন। শরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান এবং মুকিদুল ইসলাম প্রত্যেকেই ২টি করে উইকেট নেন, যা নোয়াখালীর ব্যাটিংকে বাধাগ্রস্ত করে।

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ব্যাটিং শুরুটি তুলনামূলকভাবে সুশৃঙ্খল ছিল, তবে দ্রুত ছন্দ হারিয়ে তারা ১৬.৫ ওভারে মাত্র ১০৯ রানে অলআউট হয়ে যায়। শুরুর পর্যায়ে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখালেও মাঝখানে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেনি দল।

মাজ সাদাকাত ২৭ রান সংগ্রহ করে সর্বোচ্চ স্কোরার হন, তবে তিনি ৩৮ balls-এ এই রানের সীমা পার করতে পারেননি। তার আউট হওয়া পরেই দলের স্কোর দ্রুত হ্রাস পায়।

হায়দার আলী ২৮ রান যোগ করেন, যা দলের মোট রানে সামান্য বাড়তি যোগদান করে। হাবিবুর রহমান সোহান ১৫ রান করে মাঝারি অবদান রাখেন, তবে শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য অর্জনে যথেষ্ট না হয়।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের বোলাররা ধারাবাহিকভাবে উইকেট নেয়ার মাধ্যমে নোয়াখালীর ব্যাটিং লাইনআপকে ভেঙে ফেলেন। তানভীরের ৩টি উইকেটের পাশাপাশি অন্যান্য বোলারদের সমন্বিত পারফরম্যান্স নোয়াখালীর স্কোরকে সীমাবদ্ধ রাখে।

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বোলিং দিকেও কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়, তবে ব্যাটিং ব্যর্থতা দলকে বড় পরাজয়ে নিয়ে যায়। প্রথম ইনিংসে অর্জিত ১৭৪ রনের লক্ষ্য চ্যালেঞ্জিং ছিল এবং তা অতিক্রম করা সম্ভব হয়নি।

এই পরাজয় নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য বিপিএল-এ কঠিন সূচনা নির্দেশ করে, যেখানে দলকে পরবর্তী ম্যাচে আরও দৃঢ় ব্যাটিং ও বোলিং পরিকল্পনা প্রয়োজন। প্রথম ম্যাচের অভিজ্ঞতা থেকে শিখে দলকে দ্রুত সমন্বয় করতে হবে।

বিপিএল সূচি অনুযায়ী নোয়াখালী এক্সপ্রেসের পরবর্তী প্রতিযোগিতা শীঘ্রই শুরু হবে, তবে বর্তমান পরাজয় দলকে আত্মবিশ্লেষণ ও কৌশল পুনর্বিবেচনার সুযোগ দেবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments