19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeবিনোদননো-ওয়েভ পরিচালক আমোস পো, ৭৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ

নো-ওয়েভ পরিচালক আমোস পো, ৭৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ

নিউ ইয়র্কের স্বতন্ত্র ‘নো-ওয়েভ’ চলচ্চিত্র আন্দোলনের পথিকৃৎ আমোস পো, ৭৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি ২০২২ সালে স্তর‑৪ কোলন ক্যান্সার নির্ণয় হয় এবং ক্রিসমাসের দিন, অর্থাৎ ২৫ ডিসেম্বর, তার স্ত্রী ক্লাউডিয়া সামার্স ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছেন যে তিনি আর জীবিত নন।

পো ১৯৭০‑এর শেষের দিকে এবং ১৯৮০‑এর শুরুর দিকে নিউ ইয়র্কের ডাউনটাউন ম্যানহাটনে পাঙ্ক সংস্কৃতির উত্থানকে ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণ করেন। তার অন্যতম উল্লেখযোগ্য কাজ ‘দ্য ব্ল্যাঙ্ক জেনারেশন’ (১৯৭৬) যা আইভান ক্রাল-এর সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি, সেই সময়ের ক্লাবগুলো—CBGB, ম্যাক্স’স কানসাস সিটি—এ শুট করা ফুটেজে প্যাটি স্মিথ, ব্লন্ডি, দ্য রামোন্স, রিচার্ড হেলের টেলিভিশন, টকিং হেডস, ডেভিড জোহানসেনের নিউ ইয়র্ক ডলস এবং দ্য শার্টসের মতো উদীয়মান শিল্পীদের দেখা যায়।

ফরাসি নিউ ওয়েভের প্রভাবের অধীনে কাজ করা পো, একই সময়ে ‘আনমেড বেডস’ (১৯৭৬) ও ‘দ্য ফরেইনার’ (১৯৭৮) চলচ্চিত্রে ব্লন্ডির ডেবি হ্যারি-কে প্রধান ভূমিকায় রাখেন। তার পরবর্তী সৃষ্টিগুলোর মধ্যে ‘সাবওয়ে রাইডার্স’ (১৯৮১), ‘অ্যালফাবেট সিটি’ (১৯৮৪), ‘ট্রিপল বগি অন এ পার ফাইভ হোল’ (১৯৯১) এবং ‘এ ওয়াক ইন দ্য পার্ক’ (২০১২) অন্তর্ভুক্ত।

১৯৮০‑এর দশকে পো রান‑ডি.এম.সি., অ্যান্থ্র্যাক্স এবং ভ্যান জ্যান্টের জন্য সঙ্গীত ভিডিও পরিচালনা করেন, যা তার স্বতন্ত্র শৈলীর আরেকটি দিক প্রকাশ করে। ২০০৩ সালে তিনি ‘জাস্ট অ্যান আমেরিকান বয়’ নামে স্টিভ ইয়ার্লের ওপর ভিত্তি করে একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করেন, যা সঙ্গীত জগতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বকে আলোকিত করে।

২০২০ সালে প্রকাশিত একটি সংবাদে জানা যায় যে পো এবং ক্রালের মধ্যে লাইসেন্স ফি সংক্রান্ত বিরোধে পো তার কিছু চলচ্চিত্রের মালিকানা হারিয়ে ফেলেন, যার মধ্যে ‘দ্য ব্ল্যাঙ্ক জেনারেশন’ও অন্তর্ভুক্ত। সেই সময় পো উল্লেখ করেন যে তিনি পরিস্থিতি গ্রহণের চেষ্টা করছেন, তবে অন্য পক্ষ ইতিহাসকে পুনর্লিখন করার চেষ্টা করছে।

পো ২০১৯ সালে ক্লাউডিয়া সামার্সের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং তার সঙ্গে একটি কন্যা, এমিলি, রয়েছে। তার মৃত্যুর পর পরিবার ও শিল্প জগতের বহু ব্যক্তির কাছ থেকে শোকের বার্তা প্রকাশ পায়, যারা পোর স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি ও স্বতঃস্ফূর্ত সৃষ্টিশীলতার প্রশংসা করেন।

আমোস পোর অবদান নিউ ইয়র্কের পাঙ্ক দৃশ্যের নথিভুক্তকরণে সীমাবদ্ধ নয়; তিনি স্বতন্ত্র শৈলীর মাধ্যমে স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। তার কাজগুলো আজও স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস এবং পাঙ্ক সংস্কৃতির ঐতিহাসিক রেকর্ড হিসেবে মূল্যবান।

পোয়ের মৃত্যু চলচ্চিত্র ও সঙ্গীতের সমন্বিত ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতি, তবে তার সৃষ্টিগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা জোগাবে। তার পরিবারকে এই কঠিন সময়ে সমর্থন ও শোক প্রকাশের জন্য পাঠকদের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments