মেলবোর্ন স্টার্স এবং সিডনি সিক্সার্সের মধ্যে অনুষ্ঠিত বি.বি.এল ১৫ ম্যাচে মেলবোর্ন স্টার্স ১৭.৩ ওভারে ১৪৫/৩ স্কোর করে ৭ উইকেটের পার্থক্যে জয়লাভ করে। সাম হার্পার অটুট ১১০ রান দিয়ে টার্গেটের প্রায় ৭৫ শতাংশ সম্পন্ন করে এবং দলকে ১৫ বল বাকি রেখে বিজয় নিশ্চিত করে।
সিক্সার্সের শুরুর মুহূর্তে টম কার্রান বাবর আজামকে মাত্র দুই রানেই আউট করে দলকে অস্থির করে দেয়। বাবরের দ্রুত আউটের পর জোশ ফিলিপ, মোইসেস হেনরিকেস ও জর্ডান সিল্কের শটগুলো ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হয়, ফলে সিক্সার্সের স্কোর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
ড্যানিয়েল হিউজ ৪২ বলে ৬০ রান করে অর্ধশতক পূরণ করে, তবে টম কার্রানের তৃতীয় ওয়িকেটে হিউজও আউট হয়ে যায়। হিউজের আউটের পর সিক্সার্সের গতি দ্রুত কমে যায়, এবং পিটার সিডল দ্রুত হেনরিকেস ও সিল্ককে ধারাবাহিকভাবে বাদ দেয়।
সিক্সার্স ৯০/২ থেকে ১১৮/৬ পর্যন্ত দ্রুত পতন দেখায়, এবং শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৪৪ রান করে আটকে যায়। শোন অ্যাবট প্রথম ওভারে জো ক্লার্ককে ডাক দিয়ে ডট বলের মাধ্যমে কিছুটা আশার সঞ্চার করলেও, সাম হার্পার দ্রুত শট চালিয়ে সিক্সার্সের প্রতিরোধ ভেঙে দেয়।
সাম হার্পার একক শোয়ায় সিক্সার্সের প্রতিরক্ষা ভেঙে যায়; ক্যাম্পবেল কেলাওয়ে ও জোনাথন মের্লো সামান্য ভূমিকা রাখলেও মূল দায়িত্ব হার্পারের ওপরই থাকে। হার্পার ছয়টি ছয় মারিয়ে দ্রুত স্কোর বাড়ায় এবং অর্ধশতক পার করে ১১০* অটুট থাকে।
স্টার্সের শিকড়ে থাকা হার্পার ছাড়া অন্য কোনো ব্যাটসম্যানের বড় স্কোর না থাকলেও, কেলাওয়ে ও মের্লোর সংযোজনীয় রানগুলো লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে। শেষ পর্যন্ত স্টার্স ১৭.৩ ওভারে লক্ষ্য পূরণ করে, ১৫ বল বাকি রেখে ম্যাচের সমাপ্তি ঘটায়।
এই জয়ের মাধ্যমে মেলবোর্ন স্টার্স বি.বি.এল ১৫-এ অপরাজিত অবস্থায় থাকে, আর সিক্সার্স এই মৌসুমে তৃতীয় পরাজয় পায়। ম্যাচের মূল পরিসংখ্যান অনুযায়ী সিক্সার্স ২০ ওভারে ১৪৪ রান করে, যার মধ্যে ড্যানিয়েল হিউজের ৬০ রান ও টম কার্রানের ৩/২৬, পিটার সিডলের ৩/২৩ উল্লেখযোগ্য। স্টার্স ১৭.৩ ওভারে ১৪৫/৩ স্কোর করে, সাম হার্পারের ১১০* ও জোয়েল ডেভিসের ২/১৬ বোলিং পারফরম্যান্স ম্যাচের মূল দিক নির্ধারণ করে।
অন্যদিকে, হোবার্ট হারিকেনস পার্থ স্কর্চারসের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করে এবং টেবিলে দ্বিতীয় স্থান বজায় রাখে। স্কর্চারসের শীর্ষ ব্যাটসম্যান ফিন অ্যালেন ৪৩ রান করে, তিনটি ফোর ও তিনটি সিক্সের মাধ্যমে আক্রমণাত্মক শট চালায়, তবে তার পরের আউটের পর দল দ্রুত ভেঙে পড়ে।
স্কর্চারসের কোপার কনলি ব্যাটিংয়ে দুর্বল পারফরম্যান্স দেখায়, আর আরন হার্ডি ও অ্যাশটন টার্নার একক অঙ্কের স্কোরে শেষ হয়। এই ব্যাটিং ব্যর্থতা স্কর্চারসকে বড় স্কোর গড়ে তুলতে বাধা দেয় এবং হারিকেনসের জয় নিশ্চিত করে।
ম্যাচে রিসার্চের অংশ হিসেবে রিশাদ হোসেনের স্পিন জোড়া উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে, যদিও তাদের নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান মূল প্রতিবেদনে না থাকলেও, দলীয় কৌশলে তাদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য।
পরবর্তী রাউন্ডে মেলবোর্ন স্টার্স এবং হোবার্ট হারিকেনসের পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্ধারিত হয়েছে, যা শীঘ্রই ভক্তদের সামনে উপস্থাপিত হবে।



