27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাসিয়াটলে ইজিপ্ট‑ইরান ম্যাচে গে প্রাইড উদযাপন, ফিফা‑কে আহ্বান ‘সংস্কৃতি‑সম্মান’ বজায় রাখতে

সিয়াটলে ইজিপ্ট‑ইরান ম্যাচে গে প্রাইড উদযাপন, ফিফা‑কে আহ্বান ‘সংস্কৃতি‑সম্মান’ বজায় রাখতে

সিয়াটল শহরের লুমেন ফিল্ডে ২৬ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপের ইজিপ্ট‑ইরান ম্যাচকে লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল, ট্রান্সজেন্ডার ও কোয়্যারিয়েন্ট (LGBTQ+) সম্প্রদায়ের উদযাপনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে নির্ধারিত করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা ম্যাচের দলগুলো নির্ধারিত হওয়ার আগে থেকেই গৃহীত হয় এবং স্থানীয় গে প্রাইড মিটিংয়ের পরামর্শদাতা কমিটির সদস্য এরিক ওয়াল এই উদ্যোগকে সমর্থন করে, ফিফাকে ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’ নিতে আহ্বান জানিয়ে।

ইজিপ্টের ফুটবল সমিতি এই উদযাপন বাতিলের দাবি জানিয়ে ফিফা‑কে হস্তক্ষেপের অনুরোধ করেছে। তবে ওয়াল উল্লেখ করেন, ফিফা থেকে এখনো কোনো যোগাযোগ হয়নি এবং সিয়াটলের সংস্কৃতির অংশ হিসেবে গে প্রাইডের অনুষ্ঠানকে অতিথি দলগুলোকে সম্মান করা উচিত। তিনি বলেন, “ইজিপ্ট ফিফাকে আবেদন করছে, তবে এটি নৈতিক দিক থেকে জটিল।”

ওয়াল ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের সময় ফিফার ‘সংস্কৃতি‑সম্মান’ নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। কাতারে সমকামিতার বিরুদ্ধে কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও ফিফা খেলোয়াড়দের OneLove আর্মব্যান্ড পরিধান করলে হলুদ কার্ড দেখাবে বলে সতর্ক করেছিল। একই রকম নীতি সিয়াটলে প্রয়োগ করা হবে কিনা, তা এখনো অনিশ্চিত।

ম্যাচটি সিয়াটল প্রাইড সপ্তাহের শেষের দিকে এবং স্টোনওয়াল বিদ্রোহের বার্ষিকীর দুই দিন আগে অনুষ্ঠিত হবে, যা LGBTQ+ অধিকার আন্দোলনের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়। ইরানের ক্ষেত্রে সমকামিতার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আর ইজিপ্টে নৈতিকতা সংক্রান্ত আইন প্রায়ই LGBTQ+ অধিকারকে দমন করতে ব্যবহৃত হয়।

ওয়াল ফিফার সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে, “আমি ফিফা কী করবে তা জানি না, তবে আমি আশা করি তারা সঠিক কাজ করবে।” তিনি যোগ করেন, “ফিফা থেকে কোনো যোগাযোগ পাইনি, তাই আমি কিছুটা অবাক। তবে সাধারণত ফিফা মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে নীরব থাকে, যা এই ক্ষেত্রে ভালো হতে পারে।”

বিবিসি স্পোর্টস ফিফা এবং ইজিপ্ট ও ইরানের ফুটবল সমিতির সঙ্গে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করেছে, তবে এখনো কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে সিয়াটল প্রাইড ম্যাচের পরিকল্পনা কীভাবে এগোবে, তা আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার নীতি ও মানবাধিকার সংবেদনশীলতার ওপর নির্ভরশীল।

ম্যাচের সময়সূচি ও স্থান ইতিমধ্যে নির্ধারিত, এবং উভয় দলই লুমেন ফিল্ডে উপস্থিত হবে। গে প্রাইডের সমর্থকরা আশা করছেন, এই আন্তর্জাতিক ম্যাচের মাধ্যমে LGBTQ+ সম্প্রদায়ের দৃশ্যমানতা ও স্বীকৃতি বাড়বে, যদিও কিছু দেশ ও সংস্থা এই ধরনের উদযাপনকে নিন্দা করে।

ফিফার শেষ সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়, সিয়াটল শহরের গে প্রাইড কমিটি এবং আন্তর্জাতিক ফুটবল সম্প্রদায়ের মধ্যে মতবিরোধ অব্যাহত থাকবে। এই বিতর্কের ফলাফল ভবিষ্যতে ক্রীড়া ও মানবাধিকার সংযোগের নতুন দিক নির্ধারণ করতে পারে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments