বহু-ইন্ডিয়া প্রত্যাশিত ‘Peddi’ ছবির দিল্লি শুটিং শিডিউল সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। গ্লোবাল স্টার রাম চরণ এবং জ্যানহভি কাপুরের প্রধান ভূমিকায়, চলচ্চিত্রটি ২৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে মুক্তি পাবে বলে জানানো হয়েছে।
প্রযোজকরা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা এক পেছনের দৃশ্যের ছবি দিয়ে এই খবরটি জানিয়েছেন। ছবির পরিচালক বুচি বাবু সানা এবং চিত্রগ্রাহক আর. রথনবেলু ছবির সেটে উপস্থিত ছিলেন, যা দর্শকদের শুটিংয়ের পরিবেশের ঝলক দেয়।
দিল্লি শুটিংয়ে বিশেষভাবে ভিজ্যুয়াল ও আবেগময় দৃশ্যগুলো তোলা হয়েছে। দলটি উল্লেখ করেছে যে এই শিডিউলে কবিতাময় ও মনোমুগ্ধকর ভিজ্যুয়াল উপাদানগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা ছবির গল্পকে সমৃদ্ধ করবে।
প্রকাশিত পোস্টে হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে রিলিজের তারিখ পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে। ছবির বিশ্বব্যাপী মুক্তির দিন ২৭ মার্চ ২০২৬ নির্ধারিত, যা চলচ্চিত্রের প্রচারাভিযানের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
‘Peddi’ ইতিমধ্যে টিজার এবং ‘চিকিরি চিকিরি’ গানের মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছে। টিজারটি দর্শকদের মধ্যে কৌতুহল জাগিয়ে তুলেছে, আর গানের সুর ও নাচের ধাপগুলো সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।
‘চিকিরি চিকিরি’ গানের ইউটিউব ভিউ ১ কোটি অতিক্রম করেছে এবং জাপান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের ভক্তদের কাছ থেকে প্রশংসা পেয়েছে। গানের হুক স্টেপটি আন্তর্জাতিক নৃত্যপ্রেমীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, যা ছবির গ্লোবাল আকর্ষণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
জ্যানহভি কাপুরের জন্য ‘Peddi’ তার দ্বিতীয় তেলুগু চলচ্চিত্র, যেখানে তিনি রাম চরণের সঙ্গে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন। এই প্রকল্পে তার পারফরম্যান্সকে নিয়ে ইতিমধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা গড়ে উঠেছে।
চিত্রে জাগাপতি বাবু, শিবরাজকুমার এবং দিব্যেন্দু শর্মা সহ শক্তিশালী সাপোর্টিং কাস্ট রয়েছে। এই অভিজ্ঞ অভিনেতাদের সমন্বয় ছবির গল্পকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সঙ্গীতের দায়িত্বে রয়েছেন একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী এ. আর. রহমান। তার মূল সুর ও ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর ছবির আবেগময় পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে আর্ট ডিরেক্টর কল্লা অবিনাশ এবং এডিটর নাভিন নুলি ছবির ভিজ্যুয়াল ও রিদম নিশ্চিত করছেন। চিত্রগ্রাহক আর. রথনবেলুর ক্যামেরা কাজও ছবির উচ্চ মান বজায় রাখবে।
সামগ্রিকভাবে ‘Peddi’ উচ্চমানের প্রোডাকশন ভ্যালু নিয়ে নির্মিত, যা দর্শকদের জন্য ভিজ্যুয়াল ও সঙ্গীতের সমন্বয় ঘটাবে। শুটিংয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হওয়ায় চলচ্চিত্রের পরবর্তী ধাপগুলো দ্রুত এগোবে।
দিল্লি শুটিংয়ের সমাপ্তি এবং রিলিজের তারিখের নিশ্চিতকরণ চলচ্চিত্রের প্রচারকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে এবং সিনেমা হলের আসন পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে।



