27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাজোশ টাংগের ৫ উইকেটের পারফরম্যান্সে ইংল্যান্ডের ২৭ বছর দীর্ঘ এমসিজি শূন্যতা শেষ

জোশ টাংগের ৫ উইকেটের পারফরম্যান্সে ইংল্যান্ডের ২৭ বছর দীর্ঘ এমসিজি শূন্যতা শেষ

মেলবোর্নের মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) অনুষ্ঠিত বক্সিং ডে টেস্টের প্রথম দিন, ইংল্যান্ডের ডান‑হাতের পেসার জোশ টাংগ ৫ উইকেটের পারফরম্যান্সে ইতিহাস রচনা করেন। ২৭ বছর পর, ১৯৯৮‑এর পরে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের কোনো বোলার এমসিজিতে পাঁচ‑ফর (ফাইভ‑ফর) অর্জন করেন, যেখানে তিনি ৫ উইকেটের বদলে ৪৫ রান দিলেন।

এই অর্জনটি ইংল্যান্ডের জন্য দীর্ঘমেয়াদী বিরতির সমাপ্তি নির্দেশ করে। ১৯৯৮ সালে ড্যারেন গফ এবং ডিন হেডলি শেষবার এমসিজিতে পাঁচ‑ফর নেন, এরপর থেকে কোনো ইংলিশ বোলার এই মঞ্চে একই সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। টাংগের এই পারফরম্যান্স সেই শূন্যতাকে ভেঙে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

টেস্টের চতুর্থ ম্যাচের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর মাত্র ১৫২ রান, যেখানে টাংগের ৫‑৪৫ পারফরম্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তার উইকেটগুলো মূল মুহূর্তে নেওয়া হয়, যা অস্ট্রেলিয়ার মোট স্কোরকে সীমিত রাখতে সহায়তা করে, যদিও হোস্ট দল ইতিমধ্যে অ্যাশেস সিরিজে জয় নিশ্চিত করে চ্যাম্পিয়নশিপ রিটেইন করেছে।

টাংগের এই স্পেল তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স হিসেবে বিবেচিত, যা ২০২৩ সালে লর্ডসের বিরুদ্ধে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে নেওয়া ৫‑৬৬ পারফরম্যান্সকে ছাড়িয়ে যায়। এমসিজিতে তার এই সেরা পারফরম্যান্স ইংল্যান্ডের বোলিং ইউনিটের পরিকল্পনা ও এক্সিকিউশনের ফলাফল হিসেবে দেখা যায়।

ইনিংসের শেষ দুই বলেই টাংগ একটি হ্যাট‑ট্রিক সম্পন্ন করেন। তিনি মাইকেল নেসারকে ৩৫ রানে আউট করেন, এরপর স্কট বোল্যান্ডকে শূন্যে (ডাক) আউট করে হ্যাট‑ট্রিকের সমাপ্তি ঘটান। এই মুহূর্তটি অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইন‑আপের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায়।

পরফরম্যান্সের পর টাংগ নিজেকে অতিরিক্ত প্রশংসা থেকে দূরে রাখেন এবং বলেন, যে কোনো বোলার আজকের দিনে পাঁচ‑ফর নিতে পারত। তিনি দলের পরিকল্পনা ও ধারাবাহিকতা সম্পর্কে জোর দেন, এবং উল্লেখ করেন যে তিনি যখন সর্বোত্তম অবস্থায় থাকেন, তখন পূর্ণ দৈর্ঘ্যের বল ছুঁড়ে পিচে শক্তভাবে আঘাত করেন। টাংগের মতে, বেন স্টোকসের পরামর্শ অনুসরণ করে একই এলাকায় বল রাখা হলে দ্রুত উইকেট নেওয়া সম্ভব।

ইংল্যান্ডের বোলিং গোষ্ঠী স্পষ্ট পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক এক্সিকিউশনের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংকে সীমাবদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছে। টাংগের পারফরম্যান্স দলকে আত্মবিশ্বাস প্রদান করেছে, বিশেষ করে এমসিজিতে দীর্ঘদিনের শূন্যতা ভেঙে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করার পর।

অস্ট্রেলিয়া যদিও এই সিরিজে ইতিমধ্যে অ্যাশেস রিটেইন করেছে, তবু টেস্টের এই পর্যায়ে কম স্কোর তাদের জন্য চাপ বাড়িয়ে দেয়। ইংল্যান্ডের বোলারদের এই সাফল্য সিরিজের বাকি অংশে কীভাবে প্রভাব ফেলবে তা এখনো দেখা বাকি। দলটি পরবর্তী টেস্টের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে আবারও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে উইকেট নেওয়া এবং স্কোর নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

সারসংক্ষেপে, জোশ টাংগের ৫‑৪৫ পারফরম্যান্স এমসিজিতে ইংল্যান্ডের বোলিং ইতিহাসে একটি মাইলফলক চিহ্নিত করেছে, এবং ভবিষ্যৎ টেস্ট ম্যাচগুলোতে তার বোলিং স্টাইল ও কৌশল কীভাবে প্রয়োগ হবে তা নজরে থাকবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments