28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাঅস্ট্রেলিয়া ৭২-৪ স্কোরে লাঞ্চে আটকে, ইংল্যান্ডের জোশ টং শীর্ষে

অস্ট্রেলিয়া ৭২-৪ স্কোরে লাঞ্চে আটকে, ইংল্যান্ডের জোশ টং শীর্ষে

মেলবোর্নের মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে চতুর্থ অ্যাশেস টেস্টের প্রথম দিন, ইংল্যান্ডের বোলার‑ফ্রেন্ডলি পিচে অস্ট্রেলিয়া ৭২-৪ স্কোরে লাঞ্চে থেমে গিয়েছে। বেন স্টোকসের টস জয় এবং শীতল, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া ম্যাচের গতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ইংল্যান্ডের তরুণ বোলার জোশ টং তিনটি উইকেট নেন, যার মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার ক্যাপ্টেন স্টিভ স্মিথের ৯ রানও অন্তর্ভুক্ত। টংের দ্রুত গতি এবং সঠিক লাইন‑লম্বা অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ক্রমকে ভেঙে দেয়, ফলে ভক্তদের মধ্যে ইংল্যান্ডের “বর্মি আর্মি” উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইন‑আপে উসমান খাওয়াজা ২১ রান অচল অবস্থায় রয়ে গেছেন, যখন অডিলেডের সেঞ্চুরি স্কোরার অ্যালেক্স ক্যারি ৯* রান দিয়ে শেষ করেন। ওপেনার ট্র্যাভিস হেড মাত্র ১২ রান এবং জেক ওয়েদারাল্ড ১০ রান করে শীঘ্রই আউট হন, আর মার্নাস লাবুশ্যাগনে ছয় রান যোগ করেন।

ইংল্যান্ডের গাস অ্যাটকিনসন এবং টং উভয়ই পিচে যথেষ্ট ঘূর্ণন তৈরি করেন, যা অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে। অ্যাটকিনসনের দ্রুত ডেলিভারি এবং টংের স্লাইডিং বলের সমন্বয় অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ক্রমকে দ্রুত ভেঙে দেয়।

অস্ট্রেলিয়ার ক্যাপ্টেন স্টিভ স্মিথ মাঝখানে ৯ রান করে টংের মিসটাইমড ড্রাইভে আউট হন, যা ইংল্যান্ডের ভক্তদের চিৎকারে ভরিয়ে দেয়। তার আউট হওয়া দলকে আরও দুর্বল করে, ফলে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর দ্রুত কমে যায়।

ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণে ব্রাইডন কার্সের ভুল ডেলিভারি থেকে ট্র্যাভিস হেড ধারাবাহিকভাবে বাউন্ডারি মারেন, তবে মাত্র ২২ বলের পর অ্যাটকিনসনের হাতে আউট হন। হেডের আক্রমণাত্মক খেলা সাময়িক হলেও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার পতনে সহায়তা করে না।

ওয়েদারাল্ডের আউট হওয়া টংের প্রথম ওভারে ঘটে, যেখানে তিনি লেজ সাইডে চিপ করে জেমি স্মিথকে গৃহস্থের কাছে পাঠান। নটিংহামশায়ার থেকে আসা টংের এই দ্রুত উইকেট অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ক্রমকে আরও অস্থিতিশীল করে তোলে।

সিরিজের সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে অস্ট্রেলিয়া ইতিমধ্যে পার্থ, ব্রিসবেন এবং অডিলেডে জয়লাভ করে অ্যাশেস রিটেইন করেছে। ইংল্যান্ডের দল মেলবোর্নে গর্ব পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করলেও, সীমিত প্রস্তুতি এবং মাঝখানে ঘটিত স্ক্যান্ডাল তাদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে।

মিড-সিজন বিচ ব্রেকের সময় কিছু খেলোয়াড়ের অতিরিক্ত মদ্যপান নিয়ে অভিযোগ উঠে, যা টিমের মনোবলকে প্রভাবিত করেছে। এই বিষয়টি মিডিয়া ও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে, যদিও ম্যাচের ফলাফল এখনও নির্ধারিত হয়নি।

ইংল্যান্ডের দ্রুত গতি বোলার জোফ্রা আর্চার আঘাতজনিত কারণে অনুপস্থিত, ফলে টিমকে বিকল্প বোলার হিসেবে গাস অ্যাটকিনসনকে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। অ্যাটকিনসন পূর্বে অডিলেডে বাদ পড়ে ছিলেন, তবে মেলবোর্নে তার ফিরে আসা বোলিং আক্রমণে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ক্রমের দ্রুত পতনের পর, ইংল্যান্ডের বোলাররা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আক্রমণ চালিয়ে যায়। টং এবং অ্যাটকিনসনের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তারা অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ক্রমকে শূন্যে নামিয়ে দেয়, যা ম্যাচের প্রথম দিনকে ইংল্যান্ডের পক্ষে উল্টে দেয়।

পরবর্তী দিনগুলোতে টেস্টের অবশিষ্ট ওভারগুলোতে উভয় দলই পুনরায় গঠন করার চেষ্টা করবে। অস্ট্রেলিয়া কীভাবে তাদের ব্যাটিং পুনরুদ্ধার করবে এবং ইংল্যান্ড কীভাবে এই সুবিধা বজায় রাখবে, তা আগামী দিনগুলোর মূল প্রশ্ন হিসেবে রয়ে যাবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments