28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধধানমন্ডিতে ককটেল বিস্ফোরণ, কোনো ক্ষতি বা হতাহতের খবর নেই

ধানমন্ডিতে ককটেল বিস্ফোরণ, কোনো ক্ষতি বা হতাহতের খবর নেই

ঢাকা শহরের ধানমন্ডি এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল ছিল সাতমসজিদ রোডের আবাহনী মাঠের নিকটবর্তী অংশ। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী কোনো প্রাণহানি বা সম্পত্তি ক্ষতি রিপোর্ট করা হয়নি।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় নিরাপত্তা দল পাঠানো হয় এবং পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত করেছে যে, কোনো ধ্বংসাবশেষ বা অগ্নি-সামগ্রী পাওয়া যায়নি।

পুলিশের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিস্ফোরণের চিহ্ন অনুসন্ধান করে।现场ে কোনো ধোঁয়া, ধ্বংসাবশেষ বা অগ্নি-সামগ্রী পাওয়া যায়নি, তবে একটি ট্রাকের চাকা বুস্ট করা অবস্থায় দেখা যায়। এই চাকার অবস্থানকে নিয়ে তদন্ত চলছে যে, তা কি বিস্ফোরণের সাথে কোনোভাবে যুক্ত কিনা।

ধানমন্ডি থানা অফিসার ইন-চার্জ সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে কোনো ককটেল বিস্ফোরণের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি উল্লেখ করেন, ট্রাকের চাকা বুস্ট করা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে এবং তা সম্ভবত অন্য কোনো কাজের ফলাফল হতে পারে। তাই, বর্তমানে পর্যন্ত কোনো সন্দেহভাজন বা অপরাধীর নাম প্রকাশ করা হয়নি।

অধিক তথ্যের অভাবে কিছু লোক ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগও উঠেছে। সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, কিছু ব্যক্তি ভুল তথ্য দিয়ে জনসাধারণকে উদ্বিগ্ন করার চেষ্টা করেছে, যা তদন্তের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই, পুলিশ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা প্রকাশ করেছেন।

এই ঘটনার আগে, বুধবার রাত প্রায় ৮টার দিকে মগবাজারের নিউ ইস্কাটন এলাকায় একই ধরনের ককটেল বিস্ফোরণে ২১ বছর বয়সী সিয়াম মজুমদার নিহত হন। ওই ঘটনার তদন্ত এখনও চলমান এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীর সনাক্তকরণে পুলিশ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

ধানমন্ডি ও মগবাজারের দুটো ঘটনার মধ্যে কোনো সরাসরি সংযোগ আছে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে উভয়ই ককটেল বিস্ফোরণ হওয়ায়, নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে।

ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ বর্তমানে ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত সব প্রমাণাদি ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠিয়ে বিশ্লেষণ চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্লেষণের ফলাফল অনুযায়ী যদি কোনো বিস্ফোরক পদার্থের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে তা ভিত্তিক করে সন্দেহভাজনদের তালিকা তৈরি করা হবে।

বাংলাদেশের আইনে বিস্ফোরক পদার্থের অননুমোদিত ব্যবহার ও বিস্ফোরণকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী, ককটেল বিস্ফোরণের জন্য দায়ী ব্যক্তি সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন। তাই, তদন্তের ফলাফল যদি অপরাধীর দিকে ইঙ্গিত করে, তবে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে।

প্রমাণ সংগ্রহের পাশাপাশি, স্থানীয় আদালতও এই ধরনের অপরাধের জন্য বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত। ভবিষ্যতে যদি সন্দেহভাজন ধরা পড়ে, তবে আদালত দ্রুত ট্রায়াল চালিয়ে শাস্তি নির্ধারণের দিকে অগ্রসর হবে। এদিকে, পুলিশ ও আদালত উভয়ই জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে, স্থানীয় ট্রাফিক ও নিরাপত্তা বিভাগগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে যে, জনসাধারণের চলাচল ও পার্কিং নিয়ম মেনে চলা উচিত। বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতের সময়ে অপ্রয়োজনীয় গাড়ি পার্কিং ও অস্বাভাবিক কার্যকলাপ এড়িয়ে চলা জরুরি।

সারসংক্ষেপে, ধানমন্ডিতে ঘটিত ককটেল বিস্ফোরণে কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছে। তদন্ত চলমান, এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জনগণকে অনুরোধ করা হচ্ছে যে, কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ লক্ষ্য করলে তা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে জানাতে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments