20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাতিতাস গ্যাসে শুক্রবার ১৮ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে

তিতাস গ্যাসে শুক্রবার ১৮ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে

তিতাস গ্যাসের অধীনে থাকা এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে গ্যাস সরবরাহে হ্রাস ঘটবে বলে জানানো হয়েছে। টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বৃহস্পতিবার রাত ২৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে। এই সময়কালে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকবে, যা সরবরাহের শেষ স্তরে প্রভাব ফেলবে।

এমার্জেন্সি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের মূল উদ্দেশ্য টার্মিনালের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা, তবে কাজের সময় গ্যাসের প্রবাহে সীমাবদ্ধতা আসবে। তিতাস গ্যাসের প্রকাশ্য বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজের ফলে এলএনজি থেকে গ্যাসের প্রবাহ কমে যাবে, ফলে গ্যাসের চাপ ১৮ ঘণ্টা কম থাকবে। কাজ শেষ হলে সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে সংস্থা আশ্বাস দিয়েছে।

গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার ফলে তিতাস গ্যাসের সব গ্রাহক শ্রেণি—আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প—প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে পারে। গৃহস্থালী গ্রাহকরা রান্না, গরম পানি ও হিটিংয়ে সাময়িক অসুবিধা অনুভব করতে পারেন। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো, বিশেষত রেস্টুরেন্ট ও হোটেল, গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল রান্না ও হিটিং প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাতের সম্ভাবনা থাকবে। শিল্প গ্রাহকদের ক্ষেত্রে, গ্যাস-চালিত কিলন, বয়লার ও প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটে চাপের হ্রাস উৎপাদন শিডিউলে সাময়িক পরিবর্তন আনতে পারে।

বাজারের দৃষ্টিকোণ থেকে, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া স্বল্পমেয়াদে গ্যাসের চাহিদা হ্রাসের দিকে ধাবিত হতে পারে। বিশেষত শিল্প খাতে গ্যাসের ব্যবহার হ্রাস পেলে উৎপাদন খরচে সাময়িক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে, যদিও রক্ষণাবেক্ষণ সময়কাল সীমিত হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সীমিত থাকবে। গ্যাস সরবরাহের অস্থায়ী হ্রাসের ফলে গ্যাসের দাম সাময়িকভাবে বাড়তে পারে, তবে তিতাস গ্যাসের নেটওয়ার্কে বিকল্প সরবরাহের ব্যবস্থা না থাকায় দাম স্থিতিশীল থাকবে বলে অনুমান করা যায়।

তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তারা রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে নিশ্চিত করেছেন। তারা গ্রাহকদের এই অস্থায়ী অসুবিধার জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানিয়েছেন। সংস্থা গ্রাহকদের অনুরোধ করেছে যে, গ্যাস ব্যবহার সংক্রান্ত জরুরি পরিকল্পনা তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যাকআপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

এলএনজি টার্মিনাল দেশের গ্যাস সরবরাহের মূল ভিত্তি, এবং এর নির্ভরযোগ্যতা দেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের মাধ্যমে টার্মিনালের দীর্ঘমেয়াদী কার্যক্ষমতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়, যা ভবিষ্যতে গ্যাস সরবরাহের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক। তবে এই ধরনের কাজের সময়সূচি গ্রাহকদের উপর সাময়িক চাপ সৃষ্টি করে, যা ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে।

গ্রাহকদের জন্য এই সময়ে গ্যাস ব্যবহার সংক্রান্ত সতর্কতা মেনে চলা জরুরি। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া অবস্থায় উচ্চ চাপের যন্ত্রপাতি চালু করা থেকে বিরত থাকা, লিকের সম্ভাবনা পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজনে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করা উচিত। তিতাস গ্যাসের হটলাইন ও ওয়েবসাইটে রিয়েল-টাইম আপডেট অনুসরণ করে গ্রাহকরা সরবরাহের অবস্থা সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে পারবেন।

সংক্ষেপে, তিতাস গ্যাসের এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের ফলে শুক্রবার ১৮ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে, যা আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধা সৃষ্টি করবে। রক্ষণাবেক্ষণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, এবং সংস্থা গ্রাহকদের সহযোগিতা ও ধৈর্যের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments