27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাখালেদ মাহমুদের সিলেট স্টেডিয়াম থেকে প্রস্থান ও ফিরে আসা, ভুল বোঝাবুঝি পরিষ্কার

খালেদ মাহমুদের সিলেট স্টেডিয়াম থেকে প্রস্থান ও ফিরে আসা, ভুল বোঝাবুঝি পরিষ্কার

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নোয়াখালী দল অনুশীলনের জন্য উপস্থিত হয়। তবে মাঠের ভিতরে সরঞ্জাম ও সুবিধা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশের পর, প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ সহকারী কোচ তালহা জোবায়েরের সঙ্গে তৎক্ষণাৎ স্টেডিয়াম ত্যাগ করেন।

মাহমুদের মুখে রাগের ছাপ স্পষ্ট ছিল; তিনি উচ্চস্বরে বলেছিলেন, “কাজ করতে ইচ্ছে করছে না, বিপিএল করব না” এবং “অনেক কোচ আছে, তারা কোচ নিতে পারবে”। তার এই মন্তব্যগুলো মাঠে উপস্থিত খেলোয়াড়দের কাছে শোনা যায়।

প্রস্থান করার মুহূর্তে কোচের শরীরী ভাষা ও কণ্ঠস্বর থেকে উত্তেজনা স্পষ্ট ছিল। তবে অনুশীলন শেষ হওয়ার আগে, একটি কালো গাড়ি নিয়ে মাহমুদ ও তালহা আবার স্টেডিয়ামে ফিরে আসেন। ফিরে এসে তারা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালক ও টুর্নামেন্ট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

কোচ খালেদ মাহমুদ স্পষ্ট করে বলেন, “এটা হিট অব দা মোমেন্টে ভুল বোঝাবুঝি ছিল”। তিনি যোগ করেন, দলের মালিকদের সমর্থন ও দুজনের (কর্ণধার ও চেয়ারম্যান) সঙ্গে আলাপের পর পরিস্থিতি শমিত হয়েছে।

মাহমুদ আরও ব্যাখ্যা করেন, অনুশীলনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামগুলো তখনও সরবরাহ করা হয়নি, ফলে তার মেজাজ খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, “শুরুই হয়নি টুর্নামেন্ট, এখনই যদি এমন আচরণ করা হয়, তাহলে খেলায় হারলে কী হবে”। তবে তিনি উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যথেষ্ট যত্নশীল এবং তার সঙ্গে দুজনই (কর্ণধার ও চেয়ারম্যান) আলাপ করেছেন।

মাহমুদের মতে, পুরো ঘটনা কেবল একটি ভুল বোঝাবুঝি ছিল, অন্য কোনো সমস্যা নেই। তিনি দলীয় মালিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “যারা আমার পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন, দুজনই”।

মাহমুদ ও তালহা স্টেডিয়াম ত্যাগের পর, বিসিবি কর্মকর্তারা এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তাদের দ্রুত কাজের ফলস্বরূপ, কোচ ও সহকারী কোচ আবার মাঠে ফিরে আসেন এবং অনুশীলন শেষের পর টিম বাসে করে স্টেডিয়াম ত্যাগ করেন।

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম কোচকে আলিঙ্গন করে ধন্যবাদ জানান, এবং ফিরে আসার জন্য প্রশংসা প্রকাশ করেন। এই আলিঙ্গনটি দলের মধ্যে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি চিহ্ন হিসেবে দেখা হয়।

টুর্নামেন্টের সূচনা আগে দলের মধ্যে এমন উত্তেজনা দেখা গেলেও, শেষ পর্যন্ত কোচ খালেদ মাহমুদ ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন, “আমি আমার ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞ, তারা আমাকে সমর্থন করেছে”।

এই ঘটনার পর, নোয়াখালী দলের অনুশীলনসূচি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই চালু থাকে এবং টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচের প্রস্তুতি অব্যাহত থাকে। সকল পক্ষের সমঝোতা ও সহযোগিতা টিমের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে ফিরে আসার পর, কোচের মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, ভবিষ্যতে এমন ধরনের ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে সরঞ্জাম ও সুবিধা সরবরাহে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিসিবি ও ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ এবং কোচের ইতিবাচক মনোভাবের ফলে, নোয়াখালী দলের অনুশীলন পরিবেশ পুনরুদ্ধার হয়েছে এবং টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুতি পুনরায় সুষ্ঠু ভাবে চালু হয়েছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments