28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধআখতার হোসেনের মন্তব্য: খুনি গ্রেপ্তার না হলে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না

আখতার হোসেনের মন্তব্য: খুনি গ্রেপ্তার না হলে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না

রংপুর শহরের জুলাই চত্ত্বরে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন মিডিয়ায় উপস্থিত হয়ে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে তার মতামত প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, যদি হত্যাকারীরা স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ায়, তবে গনম্যানের মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা সম্ভব নয়।

হোসেনের মতে, খুনিদের গ্রেপ্তার করা হলে গনম্যানের প্রয়োজনই থাকবে না; অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা হলে দেশের মানুষ নিরাপদে থাকবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের সম্ভাবনা কমে যাবে এবং আইন শৃঙ্খলা বজায় থাকবে।

বক্তা আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধা দেওয়া এবং জনমতকে প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা চলছে। তিনি হাদি ভাইয়ের হত্যার মামলাকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে, সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার চেয়ে বলেন, যাতে একই রকম ঘটনা আর না ঘটে।

গত দেড় বছরে দেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও মারামারির ক্ষেত্রে সরকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করেনি, এ কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, সরকার নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার পাশাপাশি শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

আখতার হোসেনের মন্তব্যে তিনি কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে আঘাত করেন। তিনি বলেন, পূর্বে গণঅভ্যুত্থানের পর কিছু দলের সদস্যদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব ছিল, তবে তারা আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে পালিয়ে গেছে।

বক্তা উল্লেখ করেন, যদি সত্যিকারের বিচার প্রক্রিয়া কার্যকর হতো, তবে তার নিজের ভাইকে ককটেল বিস্ফোরণে প্রাণ হারাতে হতো না। এ কথা তিনি নিজের ব্যক্তিগত দুঃখের সঙ্গে যুক্ত করে, ন্যায়বিচারের জরুরি প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

হোসেনের মতে, হাদি ভাইয়ের হত্যার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা কি দেশে লুকিয়ে আছে নাকি ভারতের সীমান্ত পার করে পালিয়ে গেছে, এ বিষয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী স্পষ্ট কোনো বার্তা দিতে পারছে না। তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন যে, রাষ্ট্রের কিছু অংশ বা প্রশাসনিক কাঠামো এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে।

তিনি বলেন, খুনির পরিচয় প্রকাশ্য হওয়ায় একা পালিয়ে যাওয়া বা লুকিয়ে থাকা কঠিন, ফলে একটি বৃহৎ চক্র কাজ করছে বলে তিনি ধারণা করেন। তাই তিনি দাবি করেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই চক্রের সদস্যদের সনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনা উচিত।

এই বিবৃতির সময় এনসিপি জেলা আহ্বায়ক আল মামুন, এনসিপি নেতা তৌফিক ইসলাম এবং স্থানীয় স্তরের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সকল উপস্থিতি একত্রে হোসেনের দাবিগুলোকে সমর্থন জানায়।

অধিকন্তু, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি হাদি ভাইয়ের হত্যার তদন্তে এখনও স্পষ্ট ফলাফল প্রকাশ করতে পারেনি। বর্তমান তদন্তের অগ্রগতি ও পরবর্তী আদালতিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশিত হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জানানো হয়েছে যে তদন্ত চলমান এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে।

বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত করেন, যদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা যায়, তবে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নত হবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। তবে এ জন্য রাজনৈতিক দল, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসনের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments