27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeআন্তর্জাতিকপোপ লিও ক্রিসমাস বার্তায় ইউক্রেন-রাশিয়া সংলাপের জন্য সাহসের আহ্বান

পোপ লিও ক্রিসমাস বার্তায় ইউক্রেন-রাশিয়া সংলাপের জন্য সাহসের আহ্বান

ভ্যাটিকান সেন্ট পিটার্স স্কোয়ারে ক্রিসমাসের প্রথম দিন পোপ লিও তার উর্বি এত অর্বি (Urbi et Orbi) ভাষণে ইউক্রেন ও রাশিয়াকে সরাসরি আলোচনার জন্য সাহস গড়ে তোলার অনুরোধ জানিয়ে বিশ্বকে সংঘাতমুক্ত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

পোপের বক্তব্যে তিনি অস্ত্রের গর্জন থামিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও প্রতিশ্রুতির সঙ্গে উভয় পক্ষকে আন্তরিক, সরাসরি ও সম্মানজনক সংলাপের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন।

এই আহ্বানটি আসে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলমান শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটে, যেখানে ওয়াশিংটন কিয়েভ ও মস্কোর মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তি গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, তবে এখন পর্যন্ত সরাসরি পারস্পরিক আলোচনার কোনো সূচনা হয়নি।

পোপ লিও বিশ্বব্যাপী সংঘাতের অবসানকে তার বার্তার কেন্দ্রে রেখেছেন; তিনি ক্রিসমাসের এই পবিত্র দিনে মানবতার জন্য শান্তি ও সমঝোতার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

সেই একই অনুষ্ঠানে তিনি গৃহহীনদের অবস্থার প্রতি দুঃখ প্রকাশ করে, যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞে ভুগছে এমন অসহায় জনগণের দুর্বলতা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, “যুদ্ধের শিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জীবন যেন ভঙ্গুর কাঁচের মতো, যা এক মুহূর্তে ভেঙে যায়।”

পোপের মতে, যীশু খ্রিস্টের জন্মের গল্পে ঈশ্বর মানব সমাজের মাঝখানে “নাজুক তাঁবু” স্থাপন করেছেন, যা সকল দুর্ভোগে ভুগছে এমন মানুষের সঙ্গে তার সংযোগকে প্রতীকী করে। তিনি গাজা অঞ্চলের শরণার্থীদের টেন্টের কথা উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন, “বৃষ্টির, বাতাসের ও শীতের মুখে গাজার টেন্টগুলো কতটা নিরাপদ?”

গাজা দুই বছর ধরে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ ও হামাসের আক্রমণের পরিণতিতে ধ্বংসের মুখে। শীতের তীব্র ঝড়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা শরণার্থীদের বেঁচে থাকার সংগ্রামকে বাড়িয়ে তুলেছে।

প্রায় ২.১ মিলিয়ন মানুষ গাজায় বাস করে; অধিকাংশই তাদের বাড়ি হারিয়ে শরণার্থী হয়ে গেছেন, এবং অবশিষ্ট অবকাঠামোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।

আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলো ইসরায়েলকে আরও টেন্ট ও জরুরি সরবরাহ গাজায় প্রবেশের অনুমতি দিতে অনুরোধ করেছে, যাতে শীতের কঠিন সময়ে শরণার্থীদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা যায়।

ইসরায়েলি সামরিক সংস্থা কোয়াট, যা গাজার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করে, এই দাবিগুলোকে অস্বীকার করে এবং বলেছে যে কোনো ইচ্ছাকৃত সহায়তা বাধা দেওয়া হচ্ছে না।

এই মুহূর্তে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা গাজার মানবিক সংকটের সমাধানের জন্য জরুরি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে, এবং পরবর্তী সপ্তাহে নিরাপদ মানবিক করিডোর স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে।

পোপ লিওর এই বার্তা, যেটি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই শোনাচ্ছে, যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য নৈতিক সমর্থন ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
AI-powered আন্তর্জাতিক content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments