28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শোকসভায় ওসমান হাদি ও অর্থনৈতিক অধিকার দাবি

বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শোকসভায় ওসমান হাদি ও অর্থনৈতিক অধিকার দাবি

বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর পূর্বাচলে অনুষ্ঠিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শোকসভার আয়োজন করে শহীদ ওসমান হাদির স্মরণে ভাষণ দেন। তিনি ইঙ্কিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হিসেবে উপস্থিত থেকে দেশের অর্থনৈতিক অধিকার পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান।

ওসমান হাদি সাম্প্রতিক সময়ে শহীদ হয়েছেন; তার মৃত্যুর পর এই শোকসভা তার স্মৃতিকে সম্মান জানাতে এবং তার আদর্শকে সামনে রাখার উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভক্ত ও সমর্থকরা তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।

তারেক রহমানের ভাষণে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের মানুষকে তাদের আর্থিক অধিকার পুনরুদ্ধার করা উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ছাড়া কোনো রাজনৈতিক স্বাতন্ত্র্য সম্পূর্ণ নয়।

১৯৭১ এবং ১৯৭৪ সালের শহীদদের রক্তের ঋণ শোধের কথা তিনি পুনরায় তুলে ধরেন। দুইটি ঐতিহাসিক ঘটনার শহীদদের ত্যাগের স্বীকৃতি না পেলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়, এটাই তার মূল দাবি।

শান্তি, গণতন্ত্র এবং শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দেন। তিনি তিনবার পুনরাবৃত্তি করে বলেন, দেশের শান্তি রক্ষাই সর্বোচ্চ লক্ষ্য।

মার্টিন লুথার কিংয়ের ‘I have a dream’ উক্তি উল্লেখ করে তিনি নিজের পরিকল্পনা প্রকাশ করেন, ‘I have a plan’ বলে ভবিষ্যৎ গঠনের রোডম্যাপের কথা জানান। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন, তিনি তা উল্লেখ করেন।

জনগণের সমন্বিত অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো পরিকল্পনা সফল হবে না, এ কথা তিনি পুনরায় জোর দেন। তিনি সবাইকে আহ্বান জানান, একসঙ্গে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

বিএনপি তারেক রহমানের মতে, বাংলাদেশে পাহাড়, সমতল, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সহ সব ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষ একসাথে বাস করে। তিনি নিরাপদ, সমন্বিত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন বর্ণনা করেন।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি বিশেষভাবে নারী, পুরুষ ও শিশুর নিরাপদ চলাচলের কথা উল্লেখ করেন। ঘরে বের হলে নিরাপদে ফিরে আসা প্রত্যেকের মৌলিক অধিকার, এটাই তিনি দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে তারেক রহমান শাখা বিমানবন্দর থেকে একটানা লাল-সবুজ রঙের বাসে করে আগমন করেন। শাখা থেকে সরাসরি পূর্বাচলের গণসংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছানোর এই যাত্রা তার রাজনৈতিক দৃঢ়তা প্রকাশ করে।

বিকাল ৩:৫০ মিনিটে তিনি মঞ্চে উঠে তার বক্তব্য শুরু করেন। উপস্থিত ভক্তদের উল্লাসে পরিবেশ গরম হয়ে ওঠে, এবং তারেকের কথা শোনার জন্য সবাই মনোযোগী থাকে।

বক্তব্যের মধ্যে তিনি বারবার জোর দেন, দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে শহীদদের ত্যাগের স্মৃতি স্মরণ করা জরুরি। তিনি ত্রিপল পুনরাবৃত্তি করে বলেন, ‘শান্তি চাই, শান্তি চাই, শান্তি চাই’।

যুব প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ গঠনের মূল শক্তি হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন। যুবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া দেশের উন্নয়ন অসম্ভব, এটাই তারেকের দৃঢ় মতামত।

এই শোকসভা এবং তারেক রহমানের ভাষণ বিএনপির রাজনৈতিক ক্যালেন্ডারে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে। শহীদদের স্মরণে অর্থনৈতিক অধিকার দাবি করা এবং যুবকদের ভূমিকা তুলে ধরা ভবিষ্যৎ নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments