23 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিগুলশানে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাড়াতাড়ি জড়ো, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অপেক্ষা

গুলশানে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাড়াতাড়ি জড়ো, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অপেক্ষা

গুলশান, ২৫ ডিসেম্বর – ১৭ বছর পর বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের স্বদেশে ফিরে আসার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গুলশান দুই নম্বর মোড়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা সকালেরই সময় একত্রিত হয়। গুলশান থানা থেকে গুলশান‑২ মোড়ের দিকে দলীয় বাসভবনের দিকে মিছিল চলতে দেখা যায়, যেখানে সকালবেলা থেকেই বিভিন্ন থানার নেতারা উপস্থিত।

গুলশান‑২ মোড়ে গেন্ডারিয়া, সূত্রাপুর, ওয়ারি এবং গুলশান থানার নেতাকর্মীরা দুপুরের কাছাকাছি সময়ে একত্রিত হন। উপস্থিতির সংখ্যা বাড়াতে গেন্ডারিয়া থানা থেকে সূত্রাপুরের লক্ষীবাজার থেকে আসা আব্দুল মতিন তরফদারও যোগ দেন, যিনি গত রাতে শতাধিক সহকর্মীর সঙ্গে সেখানে অবস্থান নেন। তিনি জানান, সমাবেশে বক্তৃতা শেষে তারেক রহমান একই পথে চলবেন, তাই দলীয় সদস্যরা এক নজরে লিডারকে দেখতে এখানে দাঁড়িয়েছেন, যদিও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেননি।

সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সাব্বির রহমান আরিফ গুলশান‑২ মোড়ে উপস্থিত হয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসা দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন, কারণ এখন দেশকে পরিণত, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজন।

বিএনপি সদস্য সচিব আরিফও একই সময়ে গুলশান‑২ মোড়ে উপস্থিত হয়ে গুজবের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, অনেক গুজব ছড়িয়ে পড়েছে, তবে বাস্তবতা হল লিডার আজ দেশে, এবং জনগণ শীঘ্রই তার ব্যক্তিত্ব ও দেশ পরিচালনার পদ্ধতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাবে।

গেন্ডারিয়া থানা থেকে যুগ্ম আহ্বায়ক সইয়দ মোহাম্মদ আলী বাবু গুলশান‑২ মোড়ে তারেক রহমানের আগমনের রাজনৈতিক তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, দেশের বর্তমান সংকটময় সময়ে পরিণত ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রয়োজন, এবং তারেক রহমানের উপস্থিতি সেই দিকনির্দেশনা দিতে পারে। তিনি শিহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের কথা স্মরণ করে বলেন, এখন তারেক রহমানের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে আরও উঁচুতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

আলী বাবু আরও উল্লেখ করেন, যদিও দেশের বর্তমান অবস্থা সহজ নয়। তিনি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ শাসনে লুটপাট ও বিশাল অর্থ পাচার হয়েছে, যা দেশকে সঠিক পথে নিয়ে যাওয়া কঠিন কাজ করে তুলেছে, তবে তিনি আশাবাদী যে অসম্ভব কিছুই নেই।

গুলশান‑২ মোড়ে সমাবেশে না গিয়ে উপস্থিতির কারণ সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে তিনি ব্যাখ্যা করেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটি লিডারের স্বাগত জানাতে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা করেছে। তাই প্রতিটি থানার নেতাকর্মীরা নির্ধারিত স্থানে দাঁড়িয়ে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।

বিএনপি নেতাকর্মীদের এই সমাবেশ গুলশানে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে, কারণ তা তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পূর্বে শেষ প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলীয় নেতারা একত্রে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ, দুর্নীতি ও উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করছেন, যা আসন্ন রেলিক্সের জন্য ভিত্তি গড়ে তুলবে।

গুলশান‑২ মোড়ে উপস্থিতি শুধুমাত্র স্বাগত জানাতে নয়, বরং দলীয় শৃঙ্খলা ও সংগঠনের দৃঢ়তা প্রদর্শনের উদ্দেশ্য বহন করে। বিভিন্ন থানার নেতাদের সমন্বিত উপস্থিতি দলীয় কাঠামোর ঐক্য ও সমন্বয়কে প্রকাশ করে, যা স্বদেশে ফিরে আসা লিডারের জন্য রাজনৈতিক সমর্থন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

গুলশানের এই সমাবেশের পরবর্তী ধাপ হিসেবে, দলীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী তারেক রহমানের স্বদেশে ফিরে আসার দিন নির্ধারিত হয়েছে। তার উপস্থিতি দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন গতিবিধি আনবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক সময়সূচি প্রকাশিত হয়নি।

বিএনপি নেতাকর্মীরা গুলশান‑২ মোড়ে একত্রিত হয়ে দেশের বর্তমান অবস্থা, দুর্নীতি, এবং উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা চালিয়ে গেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন, স্বদেশে ফিরে আসা লিডারের নেতৃত্বে দেশকে সঠিক পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে, এবং এই সমাবেশই সেই দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ।

গুলশানে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশের মাধ্যমে, বিএনপি দলীয় কাঠামোর ঐক্য ও প্রস্তুতি স্পষ্ট হয়েছে, যা স্বদেশে ফিরে আসা লিডারের জন্য রাজনৈতিক সমর্থন গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। ভবিষ্যতে দলীয় রেলিক্স ও জনসাধারণের সমাবেশে এই প্রস্তুতি কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments