বিএফএল ১২ শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে, তবে পূর্বের মৌসুমে দেখা সমস্যাগুলো আবারো তীব্রতা পেয়েছে। খেলোয়াড়দের বেতন বণ্টন ও বিদেশি ক্রিকেটারদের আগমনে দেরি দলগুলোকে উদ্বেগে ফেলেছে। ঢাকায় পরিকল্পিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বাতিল হয়েছে, আর ক্যাপ্টেনের ট্রফি ফটোশুটও স্থগিত করা হয়েছে। এসব বাধা সত্ত্বেও খেলোয়াড়রা মৌসুমের উজ্জ্বলতা নিয়ে আশাবাদী।
বিপিএল নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দলকে মোট বেতনের ২৫ শতাংশ প্রথমে প্রদান করতে হয়। তবে দুই দিন বাকি থাকলেও বেশ কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি এই শর্ত পূরণ করতে পারেনি। চট্টগ্রাম রয়্যালসের একজন খেলোয়াড় জানান, তাদের কোনো বেতন এখনো পৌঁছায়নি। সিলেট টাইটান্স ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের প্রতিনিধিরাও একই রকম সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন।
ঢাকা ক্যাপিটালসের ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মিথুন প্রেস কনফারেন্সে জানিয়েছেন, তাদের দলকে মোট বেতনের ২৫ শতাংশ প্রদান করা হয়েছে। এই তথ্য অন্যান্য খেলোয়াড়দের কথায়ও নিশ্চিত হয়েছে। রঙপুর রাইডার্সের মিডিয়া বিভাগ জানিয়েছে, স্থানীয় খেলোয়াড়দের বেতনের অর্ধেক ইতিমধ্যে প্রদান করা হয়েছে।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মিডিয়া কর্মকর্তারা জানান, তাদের দলকে ২৫ শতাংশ বেতন দেওয়া হয়েছে এবং স্থানীয় ও বিদেশি উভয় খেলোয়াড়ের জন্য নয় দিন ট্রাভেল ও ডেয়ারনেস অ্যালাওয়েন্স (TADA) প্রদান করা হয়েছে। এই তথ্য দুইজন খেলোয়াড়ের স্বীকারোক্তিতে সমর্থিত।
বিদেশি খেলোয়াড়ের দিক থেকে চট্টগ্রাম দল বড় সমস্যার সম্মুখীন। বিপিএল ১২ শুরুর ৩৬ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত কোনো বিদেশি খেলোয়াড় দলকে যোগ দেননি, এবং হেড কোচ জাস্টিন কেম্পও এখনও পৌঁছায়নি। চট্টগ্রাম পাকিস্তানি স্পিনার আবরার আহমেদকে সরাসরি সাইন করেছে, আর নিলামের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কার নিরোশান ডিকওয়েলা ও অ্যাঞ্জেলো পেরেরা অর্জন করেছে। নিলাম পরবর্তী সময়ে আইরিশ ব্যাটার পল স্টার্লিং, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্যামেরন ডেলপোর্ট, পাকিস্তানের কামরান গুলাম ও মিরজা তাহির বায়িগকে নিশ্চিত করা হয়। তবে ডেলপোর্ট, কামরান ও মিরজা ছাড়া অন্যদের এখনও আগমন হয়নি।
এই পরিস্থিতি সত্ত্বেও দলগুলো মৌসুমের প্রতিযোগিতামূলক মান বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। খেলোয়াড়দের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব দেখা যাচ্ছে, এবং শীঘ্রই মাঠে নামার প্রস্তুতি চলছে। বাকি দুই দিনের মধ্যে বেতন সংক্রান্ত বিষয়গুলো সমাধান হলে, দলগুলো পূর্ণ শক্তি নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করতে পারবে।
বিপিএল ১২-এর সূচি অনুযায়ী প্রথম ম্যাচগুলো আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। দলগুলোকে এখনো শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিতে হবে, বিশেষ করে বিদেশি খেলোয়াড়দের ভিসা ও ফ্লাইট সংক্রান্ত বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান করা জরুরি। সবশেষে, খেলোয়াড় ও কোচদের আশাবাদই এই মৌসুমকে সফল করার মূল চাবিকাঠি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিলের পেছনে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ ছিল প্রধান কারণ। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, বড় জনসমাগমের সময় সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা কঠিন ছিল। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো বৃহ



