22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি শীর্ষ নেতা তারেক রহমানের বড়দিনে শান্তি ও ঐক্যের শপথের আহ্বান

বিএনপি শীর্ষ নেতা তারেক রহমানের বড়দিনে শান্তি ও ঐক্যের শপথের আহ্বান

বিএনপি শীর্ষ চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ বুধবার, দেশের বৃহত্তম খ্রিস্টান উৎসব বড়দিনের উপলক্ষে একটি সমাবেশে হিংসা‑বিদ্বেষ ও উচ্ছ্বাস পরিহার করে সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা গড়ে তোলার শপথ নিতে সকল নাগরিককে আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই আহ্বান দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য অপরিহার্য।

বক্তব্যের সূচনায় তিনি বড়দিনের গুরুত্ব তুলে ধরে, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়ে, সমগ্র বিশ্বের খ্রিস্টানদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও সমৃদ্ধি, সুস্বাস্থ্য ও শান্তির কামনা করেন।

তারেক রহমানের ভাষণে তিনি যীশু খ্রিস্টের শিক্ষাকে মানবিক সহনশীলতার মডেল হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যীশু দয়া, ক্ষমা ও মানবপ্রেমের আদর্শ স্থাপন করে, মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়ে তোলার মূল বার্তা দিয়েছেন।

বক্তা জোর দিয়ে বলেন, সব ধর্মের মৌলিক লক্ষ্যই মানুষের সেবা ও কল্যাণ। ধর্ম‑বর্ণ নির্বিশেষে, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের মঙ্গলের জন্য একসাথে কাজ করা দরকার। তিনি এই দৃষ্টিকোণ থেকে সকল ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

তারেক রহমান বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বহু বছর ধরে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে ও আনন্দময় পরিবেশে পালন করে আসছে, যা দেশের সামাজিক সাদৃশ্যের ভিত্তি।

বক্তা সমাজে হিংসা‑বিদ্বেষ ও উচ্ছ্বাসের প্রবণতা দূর করার জন্য একটি জাতীয় শপথের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শপথের মাধ্যমে বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব হবে এবং সাম্প্রদায়িক ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করা যাবে।

বৈশ্বিক সংকটের প্রসঙ্গেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে মানবজাতি বিভিন্ন ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, এবং মানবিক মূল্যবোধের সঠিক উপলব্ধি না হলে ন্যায়, শান্তি ও কল্যাণ নিশ্চিত করা কঠিন।

বক্তা জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবিক নীতি ও ন্যায়বোধের প্রতি মনোযোগ বাড়ালে বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে। তিনি এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেশীয় ও বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে সমন্বিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।

তারেক রহমানের বক্তব্যের শেষে তিনি বড়দিনের সময় অনুষ্ঠিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কার্যক্রমের সফলতা কামনা করেন। তিনি আশাবাদী যে, এই অনুষ্ঠানগুলো সমাজে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করবে।

বিএনপি শীর্ষ নেতার এই আহ্বান দেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের জন্য একটি নৈতিক দায়িত্বের স্মারক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, সকল রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনকে এই শপথে অংশগ্রহণ করে দেশের শান্তি ও উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, তারেক রহমানের এই প্রকাশনা দেশের সাম্প্রদায়িক সম্পর্কের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে যখন বড়দিনের মতো ধর্মীয় উৎসবের সময়ে জাতীয় ঐক্যের বার্তা জোরদার করা হয়।

বিএনপি শীর্ষ কর্মকর্তার এই প্রকাশনা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে শান্তি, ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধের পুনর্নির্মাণের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments