22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবড়দিনে তারেক রহমানের দেশে ফেরার সঙ্গে ঢাকা জুড়ে ছয় স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

বড়দিনে তারেক রহমানের দেশে ফেরার সঙ্গে ঢাকা জুড়ে ছয় স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, খ্রিস্টধর্মীয় বড়দিনের সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি নেতা তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। তারেকের প্রায় দেড় দশকের পর স্বদেশে ফিরে আসা দেশব্যাপী রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ছয় স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলার জন্য পুলিশ, ডিবি, র‌্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনী, আনসার এবং বিএনপির নিজস্ব সিএসএফসহ বহু সংস্থার সমন্বয় করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কর্মকর্তারা স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, নিরাপত্তা পরিকল্পনাটি দৃশ্যমান ও গোপন উভয় দিককে অন্তর্ভুক্ত করে ‘কাভার্ট অ্যান্ড ওভার্ট’ নামে একটি বেল্ট গঠন করা হয়েছে। এই বেল্টে পুলিশ, ডিবি ও সোয়াটের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে, যা বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত রুটে অতিরিক্ত পাহারা দেবে।

তারা উল্লেখ করেছেন, বড়দিনের ছুটির দিনগুলোতে নিরাপত্তা প্রোটোকলকে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাওয়া হবে এবং তারেকের জন্য বুলেটপ্রুফ গাড়ি ও বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারেকের ব্যক্তিগত সুরক্ষায় বিএনপির সিএসএফের সদস্যরা থাকবে, আর তার পরের স্তরে র‌্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনী, আনসার এবং বিভিন্ন সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মীরা সমন্বিতভাবে কাজ করবে। পুরো নিরাপত্তা কার্যক্রম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সরাসরি তদারকি করা হবে।

ঢাকা শহরকে তিনটি জোনে ভাগ করে নিরাপত্তা কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা যায়। বিশেষ করে বড়দিনের সময়ে র‌্যাবের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, যেখানে তাদের বিশেষ ব্যবস্থা উল্লেখ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা অনুযায়ী, র‌্যাবের ইউনিটগুলো শহরের মূল রাস্তাগুলো এবং জনসমাগমস্থলে অতিরিক্ত নজরদারি বজায় রাখবে।

বিএনপি নেতার ফিরে আসা রাজনৈতিক দিক থেকে কী প্রভাব ফেলবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়, তবে বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত করছেন যে বড়দিনের ছুটির সময়ে নিরাপত্তা জোরদার করা রাজনৈতিক উত্তেজনা কমাতে এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। সরকারী ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থার সমন্বয় দেখায় যে, বড়দিনের ধর্মীয় উৎসব এবং রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সমন্বয়কে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা হয়েছে।

অধিকন্তু, নিরাপত্তা সংস্থার অতিরিক্ত সদস্যদের মোতায়েনের ফলে শহরের ট্রাফিক ও জনপরিবহন ব্যবস্থায় সাময়িক পরিবর্তন হতে পারে, তবে এ সব ব্যবস্থা জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। সরকার ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এই ধরনের উচ্চ-প্রোফাইল ঘটনার জন্য পূর্ব পরিকল্পনা তৈরি করে থাকে, যা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বড়দিনের দিনগুলোতে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয়কে বিবেচনা করে, নিরাপত্তা পরিকল্পনা বিশেষভাবে কঠোর করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো দেশের নিরাপত্তা কাঠামোর সক্ষমতা এবং বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়কে তুলে ধরেছে, যা ভবিষ্যতে অনুরূপ উচ্চ-প্রোফাইল ঘটনার জন্য মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments