27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধভোলা সদরতে ছাত্রদল নেতার ওপর হিংসা, রেজওয়ান আমিন সিফাত নিহত

ভোলা সদরতে ছাত্রদল নেতার ওপর হিংসা, রেজওয়ান আমিন সিফাত নিহত

বিএনপির নতুন চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার অনুষ্ঠানকে লক্ষ্য করে ঢাকায় যাত্রা করা পথে ভোলা সদর এলাকায় এক ছাত্রদল নেতার ওপর হিংসা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে, পুলিশ জানায়। ঘটনাটি বুধবার সন্ধ্যায় রাজাপুর ইউনিয়নের নয় নম্বর ওয়ার্ডের ক্লোজার বাজারে ঘটেছে।

ভোলা সদর ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জিয়া উদ্দিনের মতে, রেজওয়ান আমিন সিফাত, ২৫ বছর বয়সী, আলাউদ্দিন হাওলাদারের পুত্র এবং স্থানীয় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন। তিনি সন্ধ্যা ছয়টায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

বহুজনের উপস্থিতিতে রেজওয়ানকে অচেনা অস্ত্রধারী কয়েকজন ব্যক্তি ঘিরে ধরেন এবং তাকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করতে শুরু করেন। তার চিৎকারে প্রতিবেশী ও পরিবারের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, ফলে হামলাকারীরা তৎক্ষণাৎ পালিয়ে যায়।

আক্রমণের পর রেজওয়ানকে তৎক্ষণাৎ ভোলা সদর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর সময় তার দেহে ব্যাপক রক্তপাত এবং বহু আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। চিকিৎসক জুনায়েদ হোসেনের মতে, রক্তক্ষরণের ফলে রেজওয়ানকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

মৃত্যুর পর রেজওয়ানের বাবা আলাউদ্দিন হাওলাদার প্রকাশ্যে জানান, তার ছেলে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি ছেড়েছিল এবং পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তিনি দাবি করেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কিছু লোকই এই হত্যাকাণ্ডের দায়ী।

আলাউদ্দিন হাওলাদার আরও বলেন, গত সতেরো বছর ধরে তার পরিবারকে রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার করা হয়েছে এবং আজ তার একমাত্র পুত্রের প্রাণ হারাতে বাধ্য হয়েছে। তিনি সুষ্ঠু ও দ্রুত ন্যায়বিচার চেয়ে বেশি কিছু চেয়ে থাকেন না।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেজওয়ানের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, যা মূলত অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যুর কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চিকিৎসক উল্লেখ করেন, রক্তক্ষরণ থামাতে যথেষ্ট সময় না পেয়ে রেজওয়ানকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর পরিবারকে আশ্বস্ত করে যে, যদি তারা আইনি পদক্ষেপ নিতে চায় তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালু করা হয়েছে।

এই ঘটনার পর ভোলা জেলার বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা বাড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং দ্রুত ন্যায়বিচার চায়।

ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দল বর্তমানে ঘটনাস্থল, হাসপাতালে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। হিংসার প্রকৃতি, সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের সনাক্তকরণে জোর দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনো নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে তা ভিত্তিক অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments