বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) বুধবার একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৪৬তম বিসিএস মৌখিক পরীক্ষার নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়সূচি জানিয়েছে। এই পর্যায়ে লিখিত পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ ক্যাডারের ১,৩৬৭ জন এবং সাধারণ‑সাথে‑কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারের ৭৩৫ জনকে পরীক্ষা দিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরীক্ষার সময়সূচি যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণের ভিত্তিতে পরিবর্তন করা প্রয়োজন হলে কমিশন তা সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে। তাই প্রার্থীদের সর্বশেষ তথ্যের জন্য অফিসিয়াল সূত্রে নজর রাখা জরুরি।
নির্ধারিত সময়সূচি বিপিএসসির সরকারি ওয়েবসাইট www.bpsc.gov.bd এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের নির্দিষ্ট পোর্টাল http://bpsc.teletalk.com.bd-এ প্রকাশ করা হয়েছে। উভয় সাইটে প্রবেশ করে প্রার্থীরা নিজের রোল নম্বর অনুযায়ী নির্ধারিত তারিখ ও সময় দেখতে পারবেন।
এই মৌখিক পরীক্ষার আগে ২৭ নভেম্বর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে মোট ৪,০৪২ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া প্রার্থীরা এখন মৌখিক রাউন্ডে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মৌখিক পরীক্ষার প্রক্রিয়া সাধারণত ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যেখানে প্রার্থীর জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিকতা মূল্যায়ন করা হয়। তাই রোল নম্বরের ভিত্তিতে নির্ধারিত তারিখে সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করা প্রার্থীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রার্থীরা পরীক্ষার দিন পূর্বে পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত সনদ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, পরীক্ষার কেন্দ্রের ঠিকানা ও পার্কিং সুবিধা সম্পর্কে পূর্বে তথ্য সংগ্রহ করলে অনাবশ্যক জটিলতা এড়ানো যাবে।
অনলাইন সময়সূচি দেখার সময় রোল নম্বরের অক্ষর ও সংখ্যার সঠিক মিল নিশ্চিত করা উচিত। কোনো ত্রুটি বা অস্পষ্টতা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট হেল্পলাইন বা ওয়েবসাইটের যোগাযোগ ফর্মের মাধ্যমে দ্রুত স্পষ্টতা চাওয়া যায়।
প্রার্থীদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল পরীক্ষার আগে মৌখিক রাউন্ডের সম্ভাব্য প্রশ্নের ধরন ও উত্তর প্রস্তুতি। যদিও প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট বিষয়সূচি প্রকাশিত হয় না, তবে সাধারণ প্রশাসনিক নীতি, বর্তমান সরকারি পরিকল্পনা এবং মৌলিক নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রস্তুতি নেওয়া কার্যকর।
পরীক্ষার দিন দ্রুত পৌঁছানোর জন্য সময়সূচি অনুযায়ী আগাম রুট পরিকল্পনা করা, ট্রাফিক পরিস্থিতি যাচাই করা এবং জরুরি ক্ষেত্রে বিকল্প পথ নির্ধারণ করা বুদ্ধিমানের কাজ। এছাড়া, পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশের আগে স্যানিটেশন ও সুরক্ষা নির্দেশনা মেনে চলা উচিত।
প্রার্থীদের জন্য ব্যবহারিক টিপস: অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সময়সূচি প্রিন্ট করে হাতে রাখুন, রোল নম্বরের সাথে সংশ্লিষ্ট তারিখ ও সময় পুনরায় যাচাই করুন, এবং পরীক্ষার আগে প্রয়োজনীয় নথি ও পরিচয়পত্রের কপি একাধিক স্থানে সংরক্ষণ করুন। এই প্রস্তুতি অনাবশ্যক দেরি ও অপ্রয়োজনীয় চাপ কমাতে সহায়তা করবে।
আপনার মতামত কী? মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে কোনো বিশেষ কৌশল বা প্রশ্ন থাকলে মন্তব্যে শেয়ার করুন, যাতে একে অপরকে সমর্থন করে সফল ফলাফল অর্জন করা যায়।



