20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিব্যারিস্টার জাইমা রহমানের দেশসেবা ও দাদার স্মৃতিচারণের ফেসবুক পোস্ট

ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের দেশসেবা ও দাদার স্মৃতিচারণের ফেসবুক পোস্ট

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান মঙ্গলবার ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করে দেশের প্রতি সর্বোচ্চ দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। পোস্টটি বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে পুনরায় প্রকাশিত হয় এবং তাতে তিনি পরিবারের স্মৃতি ও নিজের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন।

পোস্টে জাইমা রহমান বেগম খালেদা জিয়াকে, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে স্মরণ করে তার দাদার গুণাবলী বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “দাদুকে নিয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি হলো, পরিবারকে আগলে রাখা একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি কতটা মমতাময়ী ছিলেন! আমার বয়স তখন এগারো।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমি সব সময়ই জানতাম, আমার দাদুর কাঁধে একটা দেশের দায়িত্ব। তবুও আমার স্মৃতিতে দাদু হলেন পরিবারকে আগলে রাখা একজন মমতাময়ী অভিভাবক। লাখো মানুষের কাছে তিনি ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আমার আর আমার কাজিনদের কাছে তিনি ছিলেন ‘দাদু’।”

জাইমা রহমান তার বিদেশে কাটানো সতেরো বছরের অভিজ্ঞতা ও শিক্ষার কথা উল্লেখ করে বলেন, “প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আমাকে শৃঙ্খলা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান শিখিয়েছে। তবে মানুষের সঙ্গে কাজ করা আমাকে শিখিয়েছে আরও অনেক বেশি; শিখিয়েছে দায়িত্বশীল হতে, বিপদগ্রস্তের পাশে দাঁড়াতে।” তিনি আইন পেশায় কাজ করার সময় গ্রাহকদের সমস্যার সঙ্গে তার সংযোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন, “প্রত্যেক ক্লায়েন্ট, প্রতিটি মামলা, প্রতিটি মানুষের সমস্যা, কারো না কারো জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। যারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, অবহেলার শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেই বিশ্বাস দিতে হয় যে, তাদের বিষয়টি দেখা হচ্ছে, শোনা হচ্ছে, সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।”

অধিকন্তু, জাইমা বলেন, “কারো জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনে তার পাশে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা যে শিক্ষাটা দেয়, সেটা কোনো ক্লাসরুম দিতে পারে না। এই প্রতিটা ধাপ আমাকে ভাবতে শিখিয়েছে, মানুষ হিসেবে কেমন হতে চাই।” তিনি তার দাদার সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ না হওয়া সত্ত্বেও, তার সততা ও দেশপ্রেমের গল্প শোনার মাধ্যমে গড়ে ওঠা আদর্শের কথা উল্লেখ করেন। “দাদু আর আব্বু সেই আদর্শটাই বয়ে নিয়ে চলেছেন,” তিনি যোগ করেন।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান এবং ৫ আগস্টের আগে-পরের সময়কালে তিনি পার্টির কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যদিও পেছন থেকে সীমিত ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, “অধিকাংশ সময় বলেছি কম, বরং শুনেছি বেশি। ছোট-ছোট কাজের মাধ্যমে তাঁদের বোঝা একটু হালকা করার চেষ্টা করেছি।” তার এই মন্তব্যগুলো পার্টির অভ্যন্তরীণ সমর্থন ও দায়িত্ববোধের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যায়।

জাইমা রহমানের পোস্টে উল্লেখিত দাদার গুণাবলী ও তার নিজের রাজনৈতিক দায়িত্বের প্রতিশ্রুতি, বিএনপির ভবিষ্যৎ নির্বাচনী কৌশল ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলতে পারে। পার্টির উচ্চপদস্থ নেতাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ও পারিবারিক ঐতিহ্য, বিশেষত খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার স্মৃতিচারণ, ভোটারদের কাছে তার ইমেজকে শক্তিশালী করতে পারে।

বিএনপির অন্যান্য নেতারা এখনও তারেক রহমানের নির্বাচনী পরিকল্পনা ও খালেদা জিয়ার তিন আসনের লড়াই সম্পর্কে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। জাইমা রহমানের এই প্রকাশনা, পার্টির অভ্যন্তরে এবং সমর্থকদের মধ্যে তার ভূমিকা ও দায়িত্বের প্রতি দৃঢ়তা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। ভবিষ্যতে তিনি কীভাবে এই দায়িত্বকে বাস্তবায়ন করবেন, তা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের নজরে থাকবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments