বিএনপি স্ট্যান্ডিং কমিটি সদস্য সালাহ উদ্দিন আজ ঢাকায় সিএসিই (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকের পর জানিয়েছেন, তরিক রহমান ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে ২৭ ডিসেম্বর ভোটার তালিকায় নাম লেখাবেন।
বিএনপি কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তরিক রহমানের দেশে ফিরে আসা রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়ে গেছে, আর তার ভোটার তালিকায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া দেশের নির্বাচনী প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সালাহ উদ্দিনের মতে, তরিকের আগমন ২৫ ডিসেম্বর নির্ধারিত, যা শুক্রবারের পরের দিন, ফলে তিনি ২৭ তারিখে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সম্পন্ন করবেন। এই সময়সূচি সিএসিই কর্তৃক নির্ধারিত প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বিএনপি নেতৃত্বের এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে উত্তেজনা বাড়ছে, কারণ তরিকের ফিরে আসা এবং ভোটার তালিকায় নাম লেখার মাধ্যমে তিনি পার্টির ভবিষ্যৎ নির্বাচনী কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।
সিএসিই নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সময়মতো নিবন্ধনের গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়। তরিকের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, তিনি ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে পার্টির নির্বাচনী কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
এই ঘোষণার পর, বিএনপি কর্মীরা তরিকের দেশে ফিরে আসা এবং ভোটার তালিকায় নাম লেখার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। পার্টির অভ্যন্তরে এই বিষয়টি কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, যাতে নির্বাচনের আগে পার্টির সংগঠন ও প্রচার কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা যায়।
অন্যদিকে, সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নোয়াবের সভাপতি এ কে আজাদ জানিয়েছেন, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে দেশের সব প্রান্তের সাংবাদিকদের নিয়ে ঢাকায় একটি বৃহৎ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিক সম্প্রদায়ের সমন্বয় ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারিত হবে।
আজাদের মতে, সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হল মিডিয়া সংস্থাগুলোর মধ্যে সংলাপ বাড়ানো এবং দেশের রাজনৈতিক ঘটনাবলীর সঠিক প্রতিবেদন নিশ্চিত করা। সম্মেলনের পর, নোয়াবের পক্ষ থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ ও নীতিমালা ঘোষণা করা হবে।
বিএনপি এবং নোয়াবের উভয় ঘোষণাই দেশের রাজনৈতিক ও মিডিয়া পরিমণ্ডলে নতুন গতিবিধি সূচিত করেছে। তরিকের ভোটার তালিকায় নাম লেখার মাধ্যমে পার্টির নির্বাচনী প্রস্তুতি ত্বরান্বিত হবে, আর সাংবাদিকদের সম্মেলন মিডিয়া স্বায়ত্তশাসন ও দায়িত্বশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে পরিচালিত হবে।
এইসব উন্নয়নকে কেন্দ্র করে, দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তরিকের ফিরে আসা এবং ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি কীভাবে আসন্ন নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে তা পর্যবেক্ষণ করছেন। একই সঙ্গে, মিডিয়া সংস্থাগুলোও সম্মেলনের ফলাফলকে ভিত্তি করে তাদের প্রতিবেদনের মান ও দিকনির্দেশনা পুনর্বিবেচনা করতে পারে।



