আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১ (আইসিটি‑১) আজ ২০ জানুয়ারি চাঙ্কারপুলে জুলাই মাসের গণউত্থানে ছয়জনের মৃত্যুর মামলায় রায় শোনাবে। এই রায়ের তারিখটি বিচারিক প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে নির্ধারিত, যেখানে প্রতিরক্ষা ও প্রসিকিউশন উভয়ের যুক্তি শোনার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালটি তিনজন বিচারক নিয়ে গঠিত, যার প্রধান বিচারক হলেন বিচারপতি গোলাম মরতুজা মজুমদার। তিনি এবং সহবিচারকরা যুক্তি শেষ হওয়ার পর রায়ের তারিখ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেন, যাতে উভয় পক্ষের উপস্থাপিত প্রমাণ ও যুক্তি যথাযথভাবে বিবেচনা করা যায়।
চাঙ্কারপুলে জুলাই ২০২৩-এ সংঘটিত হিংসাত্মক ঘটনা, যেখানে ছয়জন নাগরিক নিহত হয়, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে আইসিটি‑১-এ দায়ের করা হয়। ঘটনাটি দেশের ইতিহাসে অন্যতম গুরুতর অপরাধবোধের মামলা হিসেবে বিবেচিত।
এই মামলায় আটজন পুলিশ কর্মকর্তা অভিযুক্ত, যার মধ্যে প্রাক্তন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান অন্তর্ভুক্ত। অভিযুক্তরা গুলিবর্ষণ ও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের মাধ্যমে শিকারের প্রাণহানি ঘটানোর অভিযোগে দায়ী।
আদালতে উপস্থাপিত প্রমাণের মধ্যে রয়েছে গুলির রেকর্ড, শিকারের পরিবারগুলোর বিবৃতি এবং সংশ্লিষ্ট অফিসিয়াল রিপোর্ট। এসব প্রমাণের ভিত্তিতে প্রসিকিউশন মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরেছে।
প্রতিরক্ষা পক্ষের যুক্তি প্রধানত নিরাপত্তা বজায় রাখতে গৃহীত পদক্ষেপের বৈধতা ও প্রয়োজনীয়তা উপর কেন্দ্রীভূত। তারা দাবি করে যে ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ছিল এবং গুলিবর্ষণটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটেছে।
রায়ের তারিখ নির্ধারণের পর, উভয় পক্ষকে রায়ের পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য প্রস্তুত হতে বলা হয়েছে। রায় প্রকাশের পর আপিলের সম্ভাবনা ও সংশ্লিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা প্রত্যাশিত।
একই সময়ে, নিউ দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন সমস্ত কনসুলার ও ভিসা সেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্তটি দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতিফলন হিসেবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
হাইকমিশনের এই পদক্ষেপের পেছনে কনসুলার কর্মী ও ভিসা আবেদনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে।
অতিরিক্তভাবে, প্রতিবেদন জানায় যে পশ্চিমবঙ্গের আঞ্চলিক নির্বাচনে বাংলাদেশকে নেতিবাচকভাবে চিত্রিত করার প্রচারণা বন্ধ করার আহ্বান করা হয়েছে। এই আহ্বানটি ভারতীয় রাজনীতিবিদদের দ্বারা বাংলাদেশে রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের উদ্দেশ্যে চালিত প্রচারণার বিরুদ্ধে নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য যে, এই ধরনের রাজনৈতিক প্রচারণা দেশের আন্তর্জাতিক চিত্র ও দ্বিপ



