22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাকুমিল্লা সদর দক্ষিণে মাদ্রাসা ফাজিল পরীক্ষায় বই খুলে লেখার অভিযোগ, তদন্ত কমিটি...

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে মাদ্রাসা ফাজিল পরীক্ষায় বই খুলে লেখার অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠিত

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে মঙ্গলবার সকালেই ফাজিল স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষার সময় বই খুলে উত্তরপত্রে লেখার অভিযোগ উঠে। এই ঘটনা একই দিনে প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার সঙ্গে সংঘটিত হয়।

প্রতিবেদন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি তদন্তের জন্য ত্রিস্তরীয় কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রধান হিসেবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয় এবং তাকে সাত দিনের মধ্যে ফলাফল জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

কমিটিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. তৈয়ব হোসেনকে আহ্বায়ক, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামীম ইকবাল এবং আইসিটি অফিসার রিয়াজ উদ্দিনকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তিনজনের কাজ হবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ এবং সাক্ষ্য গ্রহণ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেন। তিনি উল্লেখ করেন, তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাসনমূলক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমিটির গঠন ঘোষণার পর, পিপুলিয়া কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুসের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয়। প্রথমে তিনি সাংবাদিকের পরিচয় জানার পর কলটি কেটে দেন, তবে পরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অধ্যক্ষের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি জানান, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময় সঠিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব ধরনের সতর্কতা গ্রহণ করে। তবে এই ধরনের অনিয়মের ঘটনা ঘটলে তা তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. তৈয়ব হোসেনও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেন, “পরীক্ষার সময় অনিয়মের তথ্য আমাদের নজরে এসেছে। আমরা দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেব।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার মান রক্ষায় এমন ঘটনা সহ্য করা যাবে না।

মাদ্রাসার ফাজিল (অনার্স) স্তরের পরীক্ষা দেশের উচ্চশিক্ষা নীতির অধীনে পরিচালিত হয় এবং এর ফলাফল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষার পথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই পরীক্ষার সময় শৃঙ্খলা বজায় রাখা অপরিহার্য।

এই ঘটনার পর, স্থানীয় শিক্ষা বিভাগ পরীক্ষার নিরাপত্তা বাড়াতে অতিরিক্ত তদারকি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে। তদুপরি, পরীক্ষার কক্ষের ভিতরে ক্যামেরা ও পর্যবেক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে অনিয়মের সম্ভাবনা কমানো হবে।

শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ব্যবহারিক পরামর্শ হল, পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্রের নির্দেশনা ভালোভাবে পড়ে নেয়া এবং কোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ককে জানানো। এভাবে ব্যক্তিগত দায়িত্ব এবং সমষ্টিগত নিরাপত্তা দুটোই নিশ্চিত হয়।

অবশেষে, স্থানীয় প্রশাসন এবং শিক্ষা কর্মকর্তারা একত্রে কাজ করে এই ধরনের অনিয়মের পুনরাবৃত্তি রোধে দৃঢ় পদক্ষেপ নেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শিক্ষার পরিবেশ স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত রাখতে সকল স্টেকহোল্ডারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments