বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এর তৃতীয় পর্যায়ের ম্যাচগুলো ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে। এই টুর্নামেন্টের নিরাপদ ও সুষ্ঠু আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি তারা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। সিলেটের ম্যাচগুলোতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার নির্দেশনা মেনে চলা হবে।
বিসিবি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি জোর দিয়ে বললেন, মাঠে খেলা সঠিকভাবে পরিচালনা করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব কাজ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা ও নির্দেশনা অনুসারে করা হবে।
খেলোয়াড়, কোচ, অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা দল গঠন করা হয়েছে। তারা প্রবেশদ্বার, স্টেডিয়াম ও আশেপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের সভা আজ বুধবার অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা হবে। সভার মূল বিষয় হবে সিলেটের আসর শেষে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দ্বিতীয় ধাপের প্রস্তুতি।
সভা চলাকালীন বুলবুল আবারও জোর দিয়ে বললেন, মাঠের খেলা নির্বিঘ্নভাবে চালিয়ে যাওয়া আমাদের অগ্রাধিকার। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া হবে এবং সবকিছু সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
সিলেটের আসর শেষ হওয়ার পর বিপিএলের দ্বিতীয় ধাপের ম্যাচগুলো চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে পরবর্তী রাউন্ডের ম্যাচ, যেখানে একই নিরাপত্তা মানদণ্ড বজায় রাখা হবে।
বিসিবি এই টুর্নামেন্টের পুরো সময়কালে নিরাপত্তা পরিকল্পনা আপডেট করে চলবে এবং প্রয়োজন অনুসারে অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো পরিবর্তন হলে তা সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে জানানো হবে।
বিবিধ নিরাপত্তা সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে টুর্নামেন্টের সময়কাল জুড়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এতে স্টেডিয়ামের ভিতরে ও বাইরে উভয়ই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা কর্মী এবং পর্যবেক্ষণ ক্যামেরা স্থাপন অন্তর্ভুক্ত।
বিসিবি উল্লেখ করেছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা হবে এবং কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নীতি টুর্নামেন্টের সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করবে।
সিলেটের ম্যাচগুলোতে দর্শক, খেলোয়াড় ও কর্মী সকলের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা হবে, যাতে ক্রিকেটের উত্সাহীরা কোনো উদ্বেগ ছাড়াই খেলা উপভোগ করতে পারেন।
বিপিএল-এর এই নতুন পর্যায়ের সূচনা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিস্তারিত পরিকল্পনা সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য বিসিবি অফিসিয়াল চ্যানেলগুলোতে নজর রাখুন।



