ব্রিস্টল, পেনসিলভানিয়ার সিলভার লেক নার্সিং হোমে মঙ্গলবার বিকাল প্রায় ১৪:০০ টায় (১৯:০০ GMT) বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা কর্মীরা দ্রুত পৌঁছায় এবং জানানো হয় যে বেশ কয়েকজনের আঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে আহতদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি, তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে আঘাতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। বিস্ফোরণের কারণ এখনও তদন্তাধীন।
দুপুরের সময়ই অগ্নি শিখা বাড়ি জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, এবং কিছু অংশ ধসে পড়ার লক্ষণ দেখা যায়। অগ্নিনির্বাপক দল জানায় যে এখনও অগ্নি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি এবং ভবনের কিছু অংশে মানুষ আটকে থাকতে পারে। উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঠামোর স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্থানীয় ইউটিলিটি কোম্পানি PECO বিকেলের দিকে গ্যাসের গন্ধের রিপোর্ট পেয়ে হস্তক্ষেপ করে। কর্মীরা যখন সাইটে উপস্থিত ছিলেন, তখনই বিস্ফোরণ ঘটে এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ অবিলম্বে বন্ধ করা হয়। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিস্ফোরণ রোধের চেষ্টা করা হয়।
পেনসিলভানিয়া গভর্নর জোশ শাপিরো ঘটনাস্থলে শোক প্রকাশ করেন এবং আক্রান্ত পরিবার ও সম্প্রদায়ের জন্য প্রার্থনা জানান। তিনি জানান যে তিনি স্থানীয় কর্মকর্তাদের এবং প্রথম সাড়া দাতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগে আছেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।
কংগ্রেসের প্রতিনিধি ব্রায়ান ফিটজপ্যাট্রিক স্থানীয় বাসিন্দাদেরকে ঘটনাস্থল থেকে দূরে থাকতে আহ্বান জানান। তিনি টুইটারে লিখে জানান যে তার দল এবং তিনি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও জরুরি সেবা কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে আছেন এবং ঘটনাস্থল নিরাপদ করার জন্য সকল পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করছেন।
প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে যে গ্যাস লিকের সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণের জন্য ফোরেনসিক বিশ্লেষণ চালু রয়েছে। পুলিশ ও অগ্নি বিভাগ একত্রে প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ দুর্ঘটনা রোধে নিরাপত্তা মানদণ্ড পুনর্বিবেচনা করা হবে।
অধিকাংশ বাসিন্দা ও কর্মীকে অস্থায়ীভাবে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ জরুরি চিকিৎসা সহায়তা ও মানসিক পরামর্শের ব্যবস্থা চালু করেছে। নাগরিকদেরকে অনুরোধ করা হচ্ছে যে তারা জরুরি সেবা কর্মীদের কাজের পথে বাধা না সৃষ্টি করে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে সহযোগিতা করুন।
এই ঘটনা এখনও বিকাশমান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নতুন তথ্য পাওয়া মাত্রই জনসাধারণকে জানাবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা পর্যন্ত স্থানীয় নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলা এবং আপডেটের জন্য সরকারি সূত্র পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।



