বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয় সোমবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বর্তমান আর্থিক বছরের সংশোধিত বাজেট উপস্থাপন করে, যেখানে বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৩.৩ শতাংশে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা জানানো হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনের মূল কারণ হিসেবে রাজস্ব সংগ্রহের উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য এবং উন্নয়ন ব্যয়ের হ্রাস উল্লেখ করা হয়েছে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুসের উপস্থিতিতে বাজেটের মূল দিকগুলো আলোচনা করা হয়। সংশোধিত বাজেটটি এই সপ্তাহের মধ্যে উপদেষ্টা পরিষদের সামনে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে, অনুমোদনের পর সরকারী গেজেটে প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
সাধারণত নতুন আর্থিক বছরের বাজেট এবং চলমান বছরের সংশোধিত বাজেট জুন মাসে ঘোষিত হয়। তবে আগামী ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য অস্থায়ী সরকার বাজেটটি আগেই চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সরকারের দীর্ঘমেয়াদী নীতি হল বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যে রাখা, এবং বাস্তবায়নের পর ঘাটতি সাধারণত আরও কমে যায়। পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ শাসনকালে ঘাটতি প্রায় ৬ শতাংশের উপরে পৌঁছায়, যা আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক আর্থিক তহবিল (IMF) এর সীমা আরোপের কারণ হয়।
IMF জানুয়ারি ২০২৩-এ ঋণ প্রোগ্রাম শুরু করার সময় ঘাটতি সীমা নির্ধারণ করে, যাতে আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষা করা যায়। অস্থায়ী সরকারের প্রথম বাজেটে বর্তমান আর্থিক বছর ২০২৫-২৬ এর জন্য ঘাটতি লক্ষ্য ৩.৬ শতাংশ নির্ধারিত হয়। পূর্ববর্তী আর্থিক বছরে বাস্তব ঘাটতি একই মাত্রায় রয়ে যায়, যা মূলত উন্নয়ন ব্যয়ের পরিকল্পনা থেকে কম হওয়ার ফলে।
নতুন সংশোধিত বাজেটের মূল বৈশিষ্ট্য হল রাজস্ব সংগ্রহে প্রায় ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি প্রত্যাশা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) মূল বরাদ্দের তুলনায় ১৩ শতাংশ হ্রাস। এই দুইটি পদক্ষেপের সমন্বয়ে মোট ঘাটতি প্রায় ২৬,০০০ কোটি টাকায় কমে যাবে।
বাজেট ঘাটতির উল্লেখযোগ্য হ্রাস সরকারী আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়াবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। ঘাটতি কমে যাওয়ায় ঋণ-জিডিপি অনু



