বাংলাদেশের জাতীয় দল (বাংলাদেশ জাতীয় দল) ২৩ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে গিয়ে তার অধিকাংশ নেতা ও সদস্য বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিএনপি)-তে যোগদান করেছে। একই দিনে দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন সব ধরণের কনসুলার ও ভিসা সেবা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই দুইটি ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উভয় দিকের চাপের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।
জাতীয় দলের সমাপ্তি ঘোষণার আগে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটি একটি জরুরি সভা করে, যেখানে দলটির ভবিষ্যৎ পথ নির্ধারণের জন্য সদস্যদেরকে অন্য পার্টিতে স্থানান্তর করার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। অধিকাংশ নেতা ও সদস্যের নাম তালিকাভুক্ত করে, তারা একত্রে বিএনপি-র সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। দলটির আনুষ্ঠানিক ভাঙ্গনের নথি সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রার অফিসে দাখিল করা হয়।
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এই পরিবর্তনকে “জাতীয় স্বার্থের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ” বলে উল্লেখ করেন এবং নতুন গঠনকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি যোগ করেন, দলীয় সদস্যদের একত্রিত হওয়া দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়াবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক হবে।
দিল্লি হাইকমিশন কর্তৃক কনসুলার ও ভিসা সেবা স্থগিতের কারণ হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি বা প্রশাসনিক সমস্যার উল্লেখ করা হয়নি, তবে সূত্রগুলো ইঙ্গিত দেয় যে দু’টি বিষয়ের পারস্পরিক প্রভাব থাকতে পারে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশে ভ্রমণ ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ভিসা প্রয়োজনীয় নাগরিকদের জন্য অস্থায়ী অসুবিধা সৃষ্টি হয়েছে।
ইউএন বিশেষজ্ঞ আইরিন খান দেশের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর সমন্বিত হামলাকে গভীর উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এমন আক্রমণগুলো গণতন্ত্রের মৌলিক নীতি ও প্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
বিএনপি-র আয়োজিত সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে ২১ ডিসেম্বর একটি বক্তৃতায়, একটি নেতার উল্লেখ ছিল যে ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোতে আক্রমণটি দেশের প্রথম ধরনের অগ্নিকাণ্ড। পরে জানা যায়, পূর্বে কিছু মিডিয়া আউটলেটেও অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, যদিও সেগুলো এত বড় ক্ষতি বা প্রাণহানির কারণ হয়নি।
বক্তা তার পূর্ববর্তী মন্তব্যের ভুল স্বীকার করে সংশোধনী নোট প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেন এবং অনলাইন প্রতিবেদনে সংশোধনী সংযোজনের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতের ঘটনাগুলো উপেক্ষা করা অনিচ্ছাকৃত ছিল এবং ভবিষ্যতে সঠিক তথ্য প্রদানকে অগ্রাধিকার দেবেন।
মিডিয়া আক্রমণ সম্পর্কিত ঘটনায়, এক মা তার সন্তানকে ক্ষুধার্ত রেখে মারা যাওয়ার শোক প্রকাশ করেছেন, যেখানে শিশুটি খাবার না পেয়ে মারা গিয়েছিল। এই ব্যক্তিগত



