22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদন‘Red Eye’ সিজন ২ লন্ডনের ইউ.এস. এম্বাসিতে নতুন রোমাঞ্চের সূচনা

‘Red Eye’ সিজন ২ লন্ডনের ইউ.এস. এম্বাসিতে নতুন রোমাঞ্চের সূচনা

ইন্টারটেলিভিশন (ITV) ২০২৪ সালে প্রচারিত ব্রিটিশ থ্রিলার ‘Red Eye’ এর দ্বিতীয় ভাগ এখন লন্ডনের যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভেতরে ঘটবে। সিরিজটি Bad Wolf এবং Sony Pictures Television যৌথভাবে তৈরি করেছে এবং পিটার এ. ডাউলিং রচনার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। প্রধান চরিত্রে জিং লুসি, রিচার্ড আর্মিটেজ, জেমা মুর এবং লেসলি শার্পের পাশাপাশি স্কটিশ অভিনেতা মার্টিন কম্পস্টনও যোগ দিচ্ছেন।

‘Red Eye’ প্রথম সিজনে ছয়টি পর্বে লন্ডনের পুলিশ অফিসার হানা লি (জিং লুসি) এবং ডক্টর ম্যাথিউ নোলান (রিচার্ড আর্মিটেজ) এর গল্প অনুসরণ করেছিল। লি, যিনি চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে নোলানকে অপরাধের অভিযোগে হস্তান্তর করতে যাচ্ছিলেন, তার যাত্রা বিমান নয়, বরং দূতাবাসের গোপন কক্ষের মাধ্যমে ঘটেছিল। প্রথম সিজনের সীমিত স্থানিক কাঠামো দর্শকদের মধ্যে উচ্চ রেটিং অর্জন করেছিল।

দ্বিতীয় সিজনে গল্পের পটভূমি সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তিত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লন্ডন দূতাবাসের বিশাল ভবনে স্থানান্তরিত হয়েছে। এখানে হানা লি এবং ডক্টর নোলানকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে, যেখানে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক জটিলতা একসাথে মিশে আছে। নতুন চরিত্র হিসেবে মার্টিন কম্পস্টন ক্লে ব্রডি, দূতাবাসের নিরাপত্তা প্রধানের ভূমিকায় উপস্থিত।

কম্পস্টন যে ক্লে ব্রডি চরিত্রে অভিনয় করছেন, তিনি দূতাবাসের অভ্যন্তরে ঘটিত এক হত্যাকাণ্ডের পর নিরাপত্তা পুনরুদ্ধারের দায়িত্বে রয়েছেন। হানা লি এবং ক্লে ব্রডির মধ্যে পূর্বে কিছু মতবিরোধের ইতিহাস রয়েছে, তবে হত্যাকাণ্ডের পর দুজনকে একসাথে কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি সিরিজে নতুন উত্তেজনা এবং কৌশলগত দ্বন্দ্বের সঞ্চার ঘটাবে।

জিং লুসি প্রথম সিজনের তুলনায় দ্বিতীয় সিজনে আরও গতিশীল পরিবেশের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রথম ভাগে তিনি একটিমাত্র স্থানে সীমাবদ্ধ ছিলেন, যেখানে চলাফেরা সীমিত ছিল। তবে দূতাবাসের বিশাল কাঠামোতে তিনি এখন বেশি চলাফেরা করতে পারবেন এবং বিভিন্ন কক্ষ ও সেকশন ঘুরে দেখতে পারবেন। এই পরিবর্তন তার চরিত্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে আরও বিস্তৃত করেছে।

লুসি আরও উল্লেখ করেছেন যে হানা লি এখন নিজের সিদ্ধান্তের জন্য আরও বেশি লড়াই করতে হচ্ছে। দূতাবাসের নিরাপত্তা প্রধান ক্লে ব্রডি প্রায়ই তাকে নির্দিষ্ট স্থানে যাওয়া থেকে বাধা দেন, যার ফলে দুজনের মধ্যে তীব্র তর্কের মুহূর্ত দেখা দেয়। লি তার কাজের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা বজায় রাখতে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার সীমা অতিক্রম করতে চেষ্টা করছেন।

ক্লে ব্রডি চরিত্রটি কঠোর এবং নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের ইচ্ছা প্রকাশ করে, যা সিরিজের মূল থিমকে আরও জোরালো করে। মার্টিন কম্পস্টনের স্বাভাবিক বন্ধুত্বপূর্ণ স্বরূপের বিপরীতে, এই ভূমিকায় তিনি আরও গম্ভীর এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ রূপে উপস্থিত। এই পার্থক্য দর্শকদের জন্য নতুন দৃষ্টিকোণ তৈরি করবে এবং চরিত্রের গভীরতা বাড়াবে।

দ্বিতীয় সিজনের গল্পে দূতাবাসের অভ্যন্তরে ঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত, নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্গঠন এবং হানা লি ও ক্লে ব্রডির পারস্পরিক সম্পর্কের পরিবর্তন প্রধান দিক হিসেবে উঠে এসেছে। সিরিজের নির্মাতারা এই নতুন পরিবেশে দর্শকদের জন্য তীব্র অ্যাকশন, কৌশলগত চ্যালেঞ্জ এবং মানসিক দ্বন্দ্বের মিশ্রণ তৈরি করার লক্ষ্য রাখছেন।

‘Red Eye’ সিজন ২ শীঘ্রই ITV-তে সম্প্রচারিত হবে এবং দর্শকরা লন্ডনের দূতাবাসের গোপন জগতে কী কী রহস্য ও সংঘাতের মুখোমুখি হবে তা দেখতে পাবেন। সিরিজের নতুন গতি, চরিত্রের বিকাশ এবং কাহিনীর জটিলতা বিনোদন অনুরাগীদের জন্য আকর্ষণীয় প্রত্যাশা তৈরি করেছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – TV
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments