27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিডা. তাসনিম জারা ৭ ঘণ্টায় ১২ লাখ টাকার বেশি নির্বাচনী অনুদান সংগ্রহ

ডা. তাসনিম জারা ৭ ঘণ্টায় ১২ লাখ টাকার বেশি নির্বাচনী অনুদান সংগ্রহ

ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা, ২৩ ডিসেম্বর তার ফেসবুক পেজে নির্বাচনী তহবিলের আহ্বান জানিয়ে নিজের বিকাশ পার্সোনাল নম্বর ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভোটাভোটের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহে সমর্থকদের সহায়তা দরকার।

প্রথম পোস্টের পর, জারা জানান যে বিকাশের দৈনিক লেনদেন সীমা অতিক্রম হওয়ায় একই দিনে আর লেনদেন করা সম্ভব নয় এবং অন্য পেমেন্ট মাধ্যমের মাধ্যমে দান করার অনুরোধ করেন। এই তথ্যের পরই সমর্থকরা দ্রুত দান শুরু করেন।

প্রাথমিক পোস্টের চার ঘণ্টা পরে, জারা জানিয়ে দেন যে তিনি ইতিমধ্যে ৫ লক্ষ ২৬ হাজার টাকার বেশি সংগ্রহ করেছেন। তিনি এই পরিমাণকে তার লক্ষ্য অর্জনের প্রথম ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেন।

এরপরের সাত ঘণ্টার মধ্যে, সমর্থকদের দান বাড়তে থাকে এবং মোট সংগ্রহের পরিমাণ ১২ লাখ টাকারও বেশি পৌঁছায়। জারা এই দ্রুত তহবিল সংগ্রহকে ‘অভূতপূর্ব’ বলে প্রশংসা করেন এবং সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তাসনিম জারা তার মোট লক্ষ্যকে ৪৬,৯৩,৫৮০ টাকা নির্ধারণ করেন এবং জানান যে ৩৪ লাখ টাকা সংগ্রহ সম্পন্ন হলে তিনি তহবিল সংগ্রহ বন্ধ করবেন। তিনি এই সীমা নির্ধারণের পেছনে আইনগত ব্যয়ের সীমা রক্ষা করার ইচ্ছা উল্লেখ করেন।

প্রার্থী উল্লেখ করেন যে নির্বাচন আইন অনুযায়ী একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা বা ভোটার প্রতি ১০ টাকা ব্যয় করতে পারেন। তবে বাস্তবে প্রায় সব প্রার্থী ২০ থেকে ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় করে ভোট জিততে চেষ্টা করে।

জারা এই বাস্তবতা নিয়ে মন্তব্য করে বলেন, তিনি আইনগত সীমার বাইরে কোনো টাকা ব্যবহার করবেন না এবং মিথ্যা ও অসততা ছাড়া নির্বাচন পরিচালনা করবেন। তিনি নিজের অঙ্গীকারকে ‘নতুন বাংলাদেশ গড়ার একমাত্র পথ’ হিসেবে উপস্থাপন করেন।

প্রার্থী আরও যুক্তি দেন, যখন নির্বাচনের ব্যয় দশ কোটি বা বিশ কোটি টাকার বেশি হয়, তখন নির্বাচিত হওয়ার পর চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করা প্রায় বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে, যা সাধারণ মানুষের স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

প্রতিপক্ষের কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিরোধী দল এই ধরনের অনলাইন তহবিল সংগ্রহকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন। তারা উল্লেখ করেন, ডিজিটাল পেমেন্টের স্বচ্ছতা ও তদারকি নিশ্চিত না হলে তহবিলের উৎস ও ব্যবহার নিয়ে সন্দেহ তৈরি হতে পারে। এছাড়া, ত্বরিত তহবিল সংগ্রহের পদ্ধতি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ন্যায্যতা নিয়ে আলোচনার দরজা খুলে দেয়।

এই বিতর্কের মধ্যে, জারার তহবিল সংগ্রহের দ্রুতগতি তার নির্বাচনী প্রচারকে শক্তিশালী করতে পারে, তবে একই সঙ্গে তাকে তহবিলের স্বচ্ছতা ও আইনি মানদণ্ড মেনে চলার দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়। সমর্থকদের দান বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ক্যাম্পেইনের আর্থিক ভিত্তি মজবুত হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

অবশেষে, ডা. তাসনিম জারা তার সমর্থকদের আহ্বান চালিয়ে যান, যাতে তিনি নির্ধারিত আইনগত সীমার মধ্যে তহবিল সংগ্রহ করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে পারেন। তার এই প্রচেষ্টা ভবিষ্যতে নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহের পদ্ধতি ও নিয়মাবলীর পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে পারে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments