22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিআইজিপি বাহরুল আলম ইসিকের সহযোগিতা চেয়ে নির্বাচন‑পূর্ব শৃঙ্খলা নিশ্চিতের আহ্বান

আইজিপি বাহরুল আলম ইসিকের সহযোগিতা চেয়ে নির্বাচন‑পূর্ব শৃঙ্খলা নিশ্চিতের আহ্বান

বাংলাদেশের শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা, ইন্সপেক্টর জেনারেল বাহরুল আলম, নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যায়ে আইন‑শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশনের সমন্বয় চাইছেন। তিনি আজ (সকাল) এগ্রাগাঁর নির্বাচন অফিসে অনুষ্ঠিত একটি সমাবেশে এ বিষয়ে জোর দেন, যেখানে দেশের বিভিন্ন স্তরের প্রশাসনিক ও নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সমাবেশটি নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়, যেখানে বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, ডেপুটি কমিশনার, পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট এবং জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশের মূল উদ্দেশ্য ছিল ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচন ও রেফারেন্ডামের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা আলোচনা করা।

বাহরুল আলম উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা পুনরুদ্ধার হয়েছে এবং এখন নির্বাচনের পূর্বে যথেষ্ট প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। তিনি জোর দেন যে, নির্বাচন কমিশনের ধারাবাহিক সহযোগিতা ছাড়া কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা কঠিন হবে।

আইজিপি আরও জানান, নির্বাচনের পূর্বে বিভিন্ন গোষ্ঠীর দ্বারা সৃষ্ট অস্থিরতা, যেমন রোড ব্লকেড এবং হাইওয়ে বন্ধ করা, দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তিনি এসব কর্মকাণ্ডকে থামাতে তৎপরতা দাবি করেন, কারণ শৃঙ্খলা না থাকলে নির্বাচন কমিশনের কাজের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে।

বাহরুল আলমের মতে, যদি শৃঙ্খলা বজায় রাখা না যায়, তবে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু পরিচালনা সম্ভব হবে না এবং ফলস্বরূপ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অবিশ্বাসের সৃষ্টি হতে পারে। তিনি এ কথা উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সমাবেশে নির্বাচনী তদন্ত কমিটির বিচারিক স্বায়ত্তশাসনকে প্রশংসা করা হয়। আইজিপি জানান, এই কমিটিগুলি প্রয়োজনে শুধু পুলিশই নয়, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তা নিতে পারবে। তিনি সকল নির্বাচন কমিশনার এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই সহযোগিতার নিশ্চয়তা প্রদান করেন।

বাহরুল আলমের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সম্পূর্ণ সমর্থন এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে নির্বাচনের সময় শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব। তিনি নির্বাচন কমিশনকে আশ্বাস দেন যে, তারা নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত।

এই সমাবেশের পর, বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা পরিকল্পনা দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিশ ও নির্বাচনী কর্মকর্তারা একত্রে কাজ করে রোড ব্লকেড, প্রতিবাদ এবং অন্যান্য অশান্তিকর কর্মকাণ্ডের প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেবে।

নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যায়ে এ ধরনের সমন্বয়মূলক আলোচনা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। শৃঙ্খলা বজায় থাকলে ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং ফলাফলকে স্বীকৃতি দেওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।

বাহরুল আলমের শেষ মন্তব্যে তিনি নির্বাচন কমিশনকে পুনরায় আশ্বস্ত করেন যে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সম্পূর্ণ সহযোগিতায় একটি সুষ্ঠু ও নির্ভরযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা যাবে। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময়ে জনগণের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় তারা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করবে।

এই সমাবেশের ফলস্বরূপ, নির্বাচনের পূর্বে নিরাপত্তা ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণ এবং অস্থিরতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কার্যক্রম দমন করার জন্য একটি স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। এভাবে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments