19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাবাংলা-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি চূড়ান্ত, জেবিসিসিআই স্বাগত জানাল

বাংলা-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি চূড়ান্ত, জেবিসিসিআই স্বাগত জানাল

বাংলাদেশ ও জাপান গতকাল যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (EPA) এর নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে, এবং জাপান বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (JBCCI) এই অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হল বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সেবা ক্ষেত্রের সংযোগকে গভীর করা, যা ২০২৬ সালে বাংলাদেশ লিডেড ডেভেলপড কান্ট্রি (LDC) মর্যাদা থেকে বেরিয়ে আসার সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

JBCCI একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তারা EPA বাস্তবায়নের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করবে এবং এ পর্যন্ত নীতিগত গবেষণা, সদস্য সমীক্ষা ও বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমে প্রস্তাবনা প্রস্তুত করেছে।

প্রকাশিত নীতিগত গবেষণার শিরোনাম “Accelerating Japan‑Bangladesh EPA: Key Priorities and Strategies Ahead” এবং এতে বাণিজ্যিক নিয়ম সহজীকরণ, গার্মেন্টস রপ্তানির বাজার প্রবেশ বৃদ্ধি, সেবা খাতের উদারীকরণ ও নিয়ন্ত্রক সহযোগিতা ইত্যাদি বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

প্রাইভেট সেক্টরের চাহিদা অনুযায়ী চুক্তিতে উৎপাদন মূল্যের উৎস নির্ধারণের নিয়ম সরলীকরণ, প্রস্তুত পোশাকের জন্য বাজার প্রবেশের শর্ত শিথিল, এবং সেবা ক্ষেত্রের নিয়মাবলীকে আরও স্বচ্ছ করা হয়েছে।

চুক্তির কাঠামোতে উল্লেখযোগ্যভাবে ৭,৩৭৯টি বাংলাদেশি পণ্যের জন্য জাপানি বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত প্রবেশের ব্যবস্থা করা হয়েছে, এবং ১,০৩৯টি জাপানি পণ্যের জন্য বাংলাদেশে অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকার প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ১০০টিরও বেশি সেবা উপ-সেক্টরে উদারীকরণ নিশ্চিত করা হয়েছে।

এই শুল্কমুক্ত প্রবেশের মাধ্যমে গার্মেন্টস, চামড়া, কৃষি পণ্য ও হস্তশিল্পের রপ্তানি সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, কারণ জাপানীয় ভোক্তাদের কাছে এই পণ্যের দাম কমে যাবে এবং প্রতিযোগিতা ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

অন্যদিকে, জাপানি পণ্যের অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশ বাংলাদেশে প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি ও উচ্চমানের ভোক্তা পণ্যের সরবরাহকে ত্বরান্বিত করবে, যা স্থানীয় উৎপাদন ক্ষমতা ও গুণগত মান উন্নয়নে সহায়তা করবে।

সেবা খাতের উদারীকরণে আর্থিক, লজিস্টিক্স, আইটি ও পরামর্শ সেবার জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা উভয় দেশের ব্যবসায়িক সংস্থার জন্য বিনিয়োগের আকর্ষণ বাড়াবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখবে।

চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর এখনও উভয় দেশের আইনগত ও মন্ত্রিপরিষদ অনুমোদনের পর নির্ধারিত হবে, তবে জবসিসিআই ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত প্রচেষ্টা এই প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

সামগ্রিকভাবে, EPA বাংলাদেশকে LDC মর্যাদা থেকে বেরিয়ে আসার সময় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান গড়ে তুলতে সহায়তা করবে, তবে বাস্তবায়ন পর্যায়ে নিয়ন্ত্রক সামঞ্জস্য ও অবকাঠামো উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা প্রয়োজন।

JBCCI চুক্তি আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট জাপানি সংস্থার প্রচেষ্টাকে প্রশংসা করে, এবং ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিস্তৃত সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments