27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিফরিদপুরে ৭ বিএনপি নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে

ফরিদপুরে ৭ বিএনপি নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে

রবিবার রাতের দিবারগা সময়ে ফরিদপুর জেলার বিএনপি একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানায় যে, মধুখালী ও বোয়ালমারী উপজেলায় পূর্বে বহিষ্কৃত সাতজন নেতার বহিষ্কারাদেশ এখন বাতিল করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তি জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মোদারেছ আলী ইছা ও সদস্য সচিব এ.কে.এম. কিবরিয়া স্বপন স্বাক্ষরিত।

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা সাতজন নেতার মধ্যে রয়েছে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাফিউল আলম মিন্টু, মধুখালী উপজেলার সদস্য মো. আরিফুল ইসলাম, রায়পুর ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল মালেক নান্নু, জাহাপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আজাদ খান, রায়পুর ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু জাফর সরদার, সাত নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মো. কাজী সিরাজুল ইসলাম এবং নওয়াপাড়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি আবু বক্কর ছিদ্দিক।

এই সাতজন নেতার নাম ও পদবী বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং প্রত্যাহারকৃত বহিষ্কারাদেশের বৈধতা নিশ্চিত করেছেন জেলা সদস্য সচিব এ.কে.এম. কিবরিয়া স্বপন।

বহিষ্কারাদেশের প্রত্যাহারকে দলীয় শৃঙ্খলা পুনর্গঠনের একটি পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। স্থানীয় স্তরে নেতাদের পুনঃসংযুক্তি করে দলীয় কাঠামোকে শক্তিশালী করা এবং আসন্ন নির্বাচনী চক্রে সমন্বিত প্রচারণা চালানোর উদ্দেশ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিএনপি স্থানীয় স্তরে এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সমর্থকদের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে চায়। বিশেষ করে মধুখালী ও বোয়ালমারী অঞ্চলে দলীয় কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দলীয় কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন যে, বহিষ্কারাদেশের প্রত্যাহার পর সংশ্লিষ্ট নেতারা আবারো পার্টির কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবেন এবং স্থানীয় সংগঠনকে পুনরুজ্জীবিত করার দায়িত্ব নেবেন।

এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে দলীয় সভা ও সমাবেশে এই সাতজন নেতার উপস্থিতি প্রত্যাশিত। তাদের পুনরায় দলে অন্তর্ভুক্তি স্থানীয় স্তরে ভোটার ভিত্তি শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।

ফরিদপুর জেলা, যা জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাবশালী অঞ্চল, সেখানে এই ধরনের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় পার্টির সামগ্রিক কৌশলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচন ও সংসদীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিতে দলকে একত্রিত করতে এই পদক্ষেপের গুরুত্ব উল্লেখ করা হচ্ছে।

দলীয় কাঠামোতে পুনরায় সংহতি আনার জন্য এখন থেকে স্থানীয় স্তরে সমন্বয় সভা, কর্মশালা ও জনসাধারণের সঙ্গে সংলাপের আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিএনপি নেতৃত্বের মতে, বহিষ্কারাদেশের প্রত্যাহার কেবল একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং দলীয় ঐক্য ও সংগঠনের পুনর্নির্মাণের লক্ষ্যে নেওয়া একটি কৌশলগত পদক্ষেপ।

এই ঘটনার পরবর্তী ধাপ হিসেবে, সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং তাদের ভূমিকা নির্ধারণের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে।

ফরিদপুরের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এই পুনর্গঠন দলীয় শক্তি পুনরুদ্ধার এবং ভোটারদের সঙ্গে পুনঃসংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments