22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনসিন ওনো লেনন ভবিষ্যতে বিটলসের স্মৃতি হারাতে পারে বলে সতর্ক

সিন ওনো লেনন ভবিষ্যতে বিটলসের স্মৃতি হারাতে পারে বলে সতর্ক

সিন ওনো লেনন, ৫০ বছর বয়সী সঙ্গীতশিল্পী ও প্রযোজক, সম্প্রতি একটি টেলিভিশন প্রোগ্রামে উল্লেখ করেন যে ভবিষ্যতে তরুণ প্রজন্ম বিটলসের সঙ্গীত ও ঐতিহ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারে। তিনি এই কথা CBS সানডে মর্নিং অনুষ্ঠানে প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি নিজের পিতার, জন লেননের, উত্তরাধিকার রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রোগ্রামে লেনন স্বীকার করেন যে তিনি আগে কখনো এই সম্ভাবনা কল্পনা করেননি, তবে এখন তিনি স্বীকার করেন যে তরুণরা বিটলসের ক্যাটালগ থেকে দূরে সরে যাওয়া স্বাভাবিক হতে পারে। তিনি প্রশ্নের উত্তর দেন, “আমি তা ভুলে যাওয়ার কথা ভাবি, আর আগে কখনো ভাবিনি।”

লেনন ব্যাখ্যা করেন যে তিনি পিতার কাজের রক্ষণাবেক্ষণে “প্রযুক্তিগতভাবে” প্রবেশ করেছেন, যদিও তার মা, যোগো ওনো, বহু দশক ধরে এই দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে এই ঐতিহ্য কেবল তারই নয়, পুরো বিশ্বই রক্ষা করার দায়িত্বে রয়েছে।

“বিশ্বই তার উত্তরাধিকার রক্ষাকারী,” লেনন বলেন, “আমি শুধু চেষ্টা করছি যেন নতুন প্রজন্ম বিটলস, জন ও যোগোকে ভুলে না যায়।” এই দৃষ্টিভঙ্গি তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত, যা তিনি তার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে দেখেন।

বিটলস, পল ম্যাককার্টনি, রিঙ্গো স্টার, জর্জ হ্যারিসন এবং জন লেনন নিয়ে গঠিত, সঙ্গীত ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী দল হিসেবে স্বীকৃত। ১৯৬৩ সালের ‘প্লিজ প্লিজ মি’ থেকে ১৯৭০ সালের ‘লেট ইট বি’ পর্যন্ত তাদের রেকর্ডিংস সারা বিশ্বের সঙ্গীতের দিকনির্দেশনা বদলে দিয়েছে।

তবে লেনন স্বীকার করেন যে সঙ্গীতের সাংস্কৃতিক প্রাসঙ্গিকতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বজায় থাকে না। প্রযুক্তি, শোনার অভ্যাস এবং সামাজিক পরিবর্তনগুলো বিটলসের প্রভাবকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

“আমার বাবা-মা আমাকে এত কিছু দিয়েছেন, তাই আমার দায়িত্ব হলো তাদের উত্তরাধিকারকে আমার জীবনে সমর্থন করা,” লেনন বলেন। তিনি এটিকে পারিবারিক ঋণবোধের সঙ্গে যুক্ত করে বলেন, “এটি আমার জন্য ব্যক্তিগত বিষয়।”

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে লেনন তার পিতামাতার কাজকে আধুনিক রূপে উপস্থাপন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০২৩ সালে তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা ডেভ মুলিন্সের সঙ্গে মিলিত হয়ে ‘ওয়ার ইজ ওভার!’ শিরোনামের অ্যানিমেটেড শর্টফিল্ম প্রকাশ করেন, যা জন ও যোগোর ১৯৭১ সালের ‘হ্যাপি ক্রিসমাস (ওয়ার ইজ ওভার)’ গানের অনুপ্রেরণায় তৈরি।

এই অ্যানিমেশনটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায় এবং একাডেমি অ্যাওয়ার্ড জিতে, যা লেননের সৃজনশীল প্রচেষ্টার নতুন দিককে তুলে ধরে। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি পিতামাতার শান্তি ও প্রেমের বার্তাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে চান।

লেনন তার পিতামাতার কাজের মূলমন্ত্রকে “শান্তি ও প্রেম” হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই আদর্শ কেবল আদর্শিক নয়, বরং বাস্তবিক পরিবর্তনের ভিত্তি।

ভবিষ্যতে বিটলসের সঙ্গীতকে তরুণদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য লেনন বিভিন্ন উদ্যোগে যুক্ত রয়েছেন। তিনি সামাজিক মিডিয়া, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং শিক্ষামূলক প্রকল্পের মাধ্যমে বিটলসের ঐতিহ্যকে জীবন্ত রাখতে চান, যাতে নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে এই সঙ্গীতের স্থান বজায় থাকে।

সারসংক্ষেপে, সিন ওনো লেনন তার পিতার উত্তরাধিকার রক্ষার জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন এবং তিনি আশাবাদী যে সঠিক প্রচেষ্টা ও সৃজনশীলতা দিয়ে বিটলসের সঙ্গীত ভবিষ্যতেও জীবন্ত থাকবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Music
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments