22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাইংল্যান্ড ক্রিকেট দল নোসা সফরের মদ্যপান নিয়ে তদন্তের ঘোষণা

ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল নোসা সফরের মদ্যপান নিয়ে তদন্তের ঘোষণা

ইংল্যান্ডের ক্রিকেট দল অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশেস সিরিজে তৃতীয় টেস্টে পরাজয়ের পর নোসা সমুদ্রতটে বিশ্রাম নেওয়ার সময় অতিরিক্ত মদ্যপান ঘটেছে কি না, তা যাচাই করার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। টিমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রব কী মঙ্গলবার মিডিয়ার সামনে এই বিষয়টি তুলে ধরেন এবং জানান যে কোনো অপ্রয়োজনীয় আচরণ থাকলে তা তদন্তের আওতায় আনতে হবে। এই সিদ্ধান্তটি অস্ট্রেলিয়ার মিডিয়ায় প্রকাশিত রিপোর্টের পর নেওয়া হয়েছে, যেখানে নোসা সফরের সময় কিছু খেলোয়াড়ের মদ্যপানের মাত্রা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল।

ইংল্যান্ড দল প্রথম দুই টেস্ট পার্থ এবং ব্রিসবেনে ধারাবাহিক পরাজয়ের শিকার হয়। এই পরাজয়ের পর দলটি কুইন্সল্যান্ডের পর্যটন গন্তব্য নোসা ভ্রমণ করে, যেখানে তারা কয়েক দিন সমুদ্রের তীরে, রেস্টুরেন্ট ও বারগুলোতে সময় কাটায়। তৃতীয় টেস্টের জন্য অডিলাইডে ফিরে এসে তারা শেষ পর্যন্ত অ্যাশেস সিরিজে হেরে যায়।

নোসা সফরের সময় টিমের সঙ্গে টিভি ক্রু, ফটোগ্রাফার এবং বিভিন্ন মিডিয়া প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিল। খেলোয়াড়রা সমুদ্রের তীরে বিশ্রাম নেওয়া, ফোন বন্ধ করে সাঁতার কাটার এবং রেস্টুরেন্টে খাবার উপভোগের পাশাপাশি কিছু সময়ে মদ্যপান করাও রিপোর্ট করা হয়েছে। তবে কোনো অশোভন বা অশান্তিকর ঘটনা ঘটেছে বলে কোনো সূত্র পাওয়া যায়নি।

ব্রিসবেন টেস্টের পর দলটি দুঃখ কাটানোর জন্য মদ্যপান করেছে, এবং কিছু খেলোয়াড় পাঁচ থেকে ছয় দিন পর্যন্ত মদ্যপান চালিয়ে গেছেন বলে মিডিয়া উল্লেখ করেছে। তবে সব খেলোয়াড়ই নয়, কিছুই নয় এমন মন্তব্যও করা হয়েছে। নোসায় কোনো অস্বাভাবিক আচরণ না থাকলেও মদ্যপানের মাত্রা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, বিশেষ করে দলের প্রস্তুতি সীমিত থাকায় পেশাদারিত্বের ওপর সন্দেহ জাগে।

রব কী মিডিয়ার সামনে স্পষ্ট করে বলেন, “যদি কেউ বলে যে আমাদের খেলোয়াড়রা অতিরিক্ত মদ্যপান করেছে, তবে আমরা অবশ্যই তা তদন্ত করব।” তিনি যোগ করেন, “একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টিমের জন্য অতিরিক্ত মদ্যপান কোনো পর্যায়ে স্বাভাবিক নয়।” কী নিজে নোসা সফরে ছিলেন না, তাই তিনি দলের আচরণ সম্পর্কে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেননি, তবে তিনি সব তথ্য সংগ্রহ করে যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন।

কী জানান, তিনি খেলোয়াড়দের মাঝে মাঝে এক গ্লাস পানীয় গ্রহণে আপত্তি করেন না, তবে তা যদি সীমা অতিক্রম করে এবং স্ট্যাগ-ডু রকমের অতিরিক্ত মদ্যপান হয়ে যায়, তবে তা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি উল্লেখ করেন, “যদি সফরটি শুধু বিশ্রাম, ফোন বন্ধ করা এবং সমুদ্রের আনন্দ উপভোগের জন্য হয়, তবে তা কোনো সমস্যার নয়।” তবে মদ্যপানের পরিমাণ যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়, তবে তা দলের শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের ক্ষতি করে।

কী পূর্বে রাতের সময় কিছু খেলোয়াড়কে মদ্যপান করতে দেখা গিয়েছিল এমন রিপোর্টের বিষয়েও তদন্ত চালিয়ে গেছেন। তিনি বলেন, এই ধরনের ঘটনাগুলি যদি সত্যি প্রমাণিত হয়, তবে তা সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তৈরি করবে। বর্তমানে তিনি দলের আচরণ সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট স্টাফ ও মিডিয়া কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করছেন।

ইংল্যান্ডের পরবর্তী টেস্ট ম্যাচ, যা বক্সিং ডে টেস্ট নামে পরিচিত, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত হবে। এই ম্যাচের আগে কী দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত উল্লেখ করেন, “আমরা সবকিছুই ঠিকঠাক রাখতে চাই, যাতে আমাদের খেলোয়াড়রা মাঠে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স দিতে পারে।”

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments