দুটি দিন পর, কার্তিক আর্যন ও অনন্যা পান্ডের প্রধান ভূমিকায় অভিনীত “টু মেরি মেইন টেরা মেইন টেরা টু মেরি” সিনেমা বড় পর্দায় আসতে চলেছে। সপ্তাহান্তে টিকিটের অগ্রিম বুকিং শুরু হওয়ায় দর্শকদের আগ্রহ বাড়ছে। চলচ্চিত্রের বিতরণ দল একাধিক থিয়েটার চেইনে শো সংখ্যা নির্ধারণের জন্য নির্দিষ্ট চাহিদা জানিয়েছে।
বিতরণ দল এক-স্ক্রিনের একক থিয়েটারে ন্যূনতম দুইটি শো, দুই-স্ক্রিনের পলেক্সে পাঁচটি শো চায়। তিন-স্ক্রিনের মাল্টিপ্লেক্সে ছয়টি শো, চার-স্ক্রিনে আটটি শো, পাঁচ-স্ক্রিনে বারোটি শো এবং ছয়-স্ক্রিনে চৌদ্দটি শো নিশ্চিত করার দাবি করা হয়েছে।
সাত বা ততোধিক স্ক্রিনযুক্ত বড় মাল্টিপ্লেক্সে সর্বনিম্ন ষোলোটি শো চালানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এই শো সংখ্যা হল প্রতিদিনের ন্যূনতম প্রোগ্রাম, যা বিতরণ দল চলচ্চিত্রের প্রাথমিক সপ্তাহে দর্শকের প্রবাহ নিশ্চিত করতে চায়।
ডিসেম্বর ২৩ তারিখে সকাল ৯টায় পর্যন্ত, চার স্ক্রিন বা তার বেশি থাকা থিয়েটারগুলোই বুকিং খুলেছে, তবে প্রতিটি থিয়েটারে মাত্র একটিই স্ক্রিনে শো শুরু হয়েছে। একক স্ক্রিন, দুই ও তিন স্ক্রিনের থিয়েটারগুলো এখনও শো সংখ্যা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, ফলে টিকিট বিক্রয় এখনো শুরু হয়নি।
একই সময়ে, হলিউডের বড় বাজেটের ছবি “অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ” বহু শো ও স্ক্রিন দখল করে রেখেছে। এই ছবির ব্যাপক উপস্থিতি নতুন রোমকোমের শো পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করছে। তবে “অ্যাভাটার” একক স্ক্রিনে মুক্তি পায়নি, ফলে ঐ থিয়েটারগুলোকে শুধুমাত্র “ধুরন্ধর” এবং “টু মেরি মেইন টেরা মেইন টেরা টু মেরি” দুটির মধ্যে শো ভাগ করতে হবে।
ধুরন্ধর ছবির চাহিদা এখনও উচ্চ, ১৮ দিন পরেও দর্শকের আগ্রহ কমেনি। এই পরিস্থিতি নতুন রোমকোমের শো সংখ্যা বাড়াতে বাধা সৃষ্টি করছে, যদিও বিতরণ দল ন্যূনতম শো চাহিদা নির্ধারণ করেছে।
বিতরণ দল আশা করে যে ক্রিসমাসের ছুটির দিনে “ধুরন্ধর” বিশাল দর্শকসংখ্যা আকর্ষণ করবে এবং একই সঙ্গে নতুন রোমকোমের জন্যও পর্যাপ্ত স্থান তৈরি হবে। তারা উল্লেখ করেছে যে, উভয় ছবিই ছুটির মৌসুমে বড় দর্শকগোষ্ঠী পাবে বলে তারা আত্মবিশ্বাসী।
বাজারে বর্তমানে দু’টি বড় ছবি একসাথে শোয়ের জন্য প্রতিযোগিতা করছে, ফলে থিয়েটার মালিকদের সঙ্গে শো সময়সূচি নিয়ে সমন্বয় প্রয়োজন। একক ও দুই-স্ক্রিনের থিয়েটারগুলোতে শো সংখ্যা বাড়াতে এখনও আলোচনা চলছে, যা আগামী কয়েক দিনেই চূড়ান্ত হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
এই শো পরিকল্পনা অনুসারে, যদি থিয়েটারগুলো নির্ধারিত ন্যূনতম শো মেনে চলে, তবে “টু মেরি মেইন টেরা মেইন টেরা টু মেরি” ক্রিসমাসের আগে কমপক্ষে দুই দিনের জন্য প্রায় ১২০টি শো চালাতে পারবে। এটি চলচ্চিত্রের প্রাথমিক বক্স অফিস রেকর্ডকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।
সামগ্রিকভাবে, বিতরণ দল শো সংখ্যা ও বুকিং সময়সূচি নিয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়া সত্ত্বেও, থিয়েটার মালিকদের সঙ্গে সমন্বয় প্রক্রিয়া চলমান। শেষ পর্যন্ত দর্শকদের জন্য শোয়ের সংখ্যা ও সময়সূচি নির্ধারিত হবে, যা সিনেমা প্রেমীদের জন্য নতুন রোমকোমের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।



