লন্ডনের ল্যামবেথে অবস্থিত টকিং টেবিলসের গুদামঘরে একটি বিশেষ সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ক্লেয়ার হ্যারিসের নেতৃত্বে ক্রিসমাস ক্র্যাকার জন্য নতুন রসিকতা পরীক্ষা করা হয়। এই ইভেন্টের মূল লক্ষ্য হল ২০২৬ সালের ক্র্যাকারগুলিতে অন্তর্ভুক্ত হবে এমন রসিকতা চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা। টিমের সদস্যরা একত্রে রসিকতা উপস্থাপন করে টেবিলের চারপাশে শোনা যায় এমন গর্জন ও হাসির মাত্রা মাপা হয়।
টকিং টেবিলস হল লন্ডনের একটি প্রতিষ্ঠান, যা পার্টি ও সমাবেশের জন্য বিভিন্ন সামগ্রী উৎপাদন করে, বিশেষ করে ক্রিসমাসের ঐতিহ্যবাহী ক্র্যাকার। কোম্পানিটি সাধারণত পরবর্তী বছরের ক্র্যাকার পরিকল্পনা এক বছর আগে থেকেই শুরু করে, ফলে এই সেশনটি ভবিষ্যৎ পণ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
রসিকতা নির্বাচন প্রক্রিয়া গুদামের উপরের তলায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন বিভাগ থেকে কয়েকজন কর্মী একত্রিত হয়ে নিজেদের তৈরি রসিকতা উপস্থাপন করে। রসিকতার গুণমান নির্ধারণের মানদণ্ড হল টেবিলে শোনা যায় এমন গর্জনের সংখ্যা এবং তার তীব্রতা, যা সরাসরি দর্শকদের প্রতিক্রিয়া প্রতিফলিত করে।
ক্লেয়ার হ্যারিস উল্লেখ করেন, একটি সফল ক্র্যাকার রসিকতা এমন হওয়া উচিত যা বড়দের সঙ্গে ছোটদেরও আনন্দ দেয়। তিনি বলেন, “একটি রসিকতা যেন আট বছর বয়সী শিশুকে অশি-শশি বয়সী বয়স্কের সঙ্গে একত্রে হাসাতে পারে”। এই দৃষ্টিকোণ থেকে রসিকতার বিষয়বস্তু এবং শৈলী নির্ধারিত হয়।
আজকের সেশনে কয়েকটি রসিকতা পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে একটি ছিল “সান্তার স্লে কত খরচে? কিছুই না, এটা বাড়িতে ছিল”। এই রসিকতা শোনার সঙ্গে সঙ্গে গুদাম জুড়ে গর্জন শোনা যায়, ফলে এটি পরবর্তী ক্র্যাকারগুলিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য অনুমোদিত হয়।
অন্যদিকে, “মাংসের বানর ক্রিসমাসে কী গান গায়?” প্রশ্নে উত্তর ছিল “জঙ্গল বেলস, জঙ্গল বেলস\



