27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনমেলানিয়া ডকুমেন্টারি কেএনেডি সেন্টারে উদ্বোধন, ট্রাম্প‑কেনেডি সেন্টার নামে রূপান্তর

মেলানিয়া ডকুমেন্টারি কেএনেডি সেন্টারে উদ্বোধন, ট্রাম্প‑কেনেডি সেন্টার নামে রূপান্তর

প্রথম নারী মেলানিয়া ট্রাম্পের জীবনচিত্রে কেন্দ্রিক একটি ডকুমেন্টারি, শিরোনাম ‘মেলানিয়া’, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কেএনেডি সেন্টারে প্রিমিয়ার হবে। এই অনুষ্ঠানটি ব্রেট রাটনার পরিচালিত এবং মেলানিয়া ট্রাম্পের ২০২৫ সালের প্রেসিডেন্ট শপথের পূর্বের বিশ দিনকে অনুসরণ করে।

ডকুমেন্টারির প্রিমিয়ার স্থান হিসেবে কেএনেডি সেন্টারকে নির্বাচন করা হয়েছে, যা সম্প্রতি ‘ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প এবং জন এফ. কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস’ নামে পুনঃনামকরণ করা হয়েছে। এই নাম পরিবর্তনটি হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিটের সামাজিক মাধ্যমে পোস্টের মাধ্যমে জানানো হয়, যেখানে তিনি উল্লেখ করেন যে ট্রাম্পের দ্বারা নির্বাচিত বোর্ডের সদস্যরা একমত হয়ে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

সেন্টারের বাহ্যিক অংশে ট্রাম্পের নামের সাইন লাগানোর কাজ কর্মীজনেরা চালিয়ে যাচ্ছে, এবং অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও নতুন নাম প্রতিফলিত হয়েছে। তবে এই পরিবর্তনকে নিয়ে কেনেডি পরিবারের কিছু সদস্যের আপত্তি প্রকাশ পেয়েছে।

ডকুমেন্টারির ট্রেলার গত সপ্তাহে প্রকাশিত হয়। ট্রেলারে মেলানিয়া ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল রোটুন্ডায় শোয়াবিনের দ্বিতীয় শপথের দিন দেখা যায়, যেখানে তিনি ক্যামেরার দিকে মুখ করে ‘Here we go again’ বলে মন্তব্য করেন। এই দৃশ্যটি ডকুমেন্টারির মূল থিম—প্রথম নারীর পুনরায় শাসনকালে তার ভূমিকা—কে তুলে ধরে।

ব্রেট রাটনারের এই প্রকল্পটি জানুয়ারি মাসে ঘোষণা করা হয়, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার দুই সপ্তাহ আগে প্রকাশিত হয়। রাটনারের নামটি ২০১৭ সালে যৌন হয়রানির অভিযোগের পর থেকে হলিউডে কাজ না করার কারণে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। এখন তিনি এই ডকুমেন্টারির মাধ্যমে আবার নজরে আসছেন।

ডকুমেন্টারিটি অ্যামাজন এমজি এম স্টুডিওসের সহযোগিতায় তৈরি, এবং মেলানিয়া ট্রাম্পের সক্রিয় অংশগ্রহণে সম্পন্ন হয়েছে। যদিও অ্যামাজন এই প্রকল্প সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি, তবে প্রকাশনা পরিকল্পনা ইতিমধ্যে নির্ধারিত।

ফিল্মটি যুক্তরাষ্ট্রের থিয়েটারে একচেটিয়াভাবে ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রদর্শিত হবে, এবং কিছু নির্বাচিত আন্তর্জাতিক অঞ্চলেও একই সময়ে মুক্তি পাবে। স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম প্রাইম ভিডিওতে কখন প্রকাশ হবে তা এখনও নির্ধারিত হয়নি।

প্রদর্শনের পর ডকুমেন্টারির সঙ্গে একটি তিন অংশের ডকুসিরিজও প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে, যা মেলানিয়া ট্রাম্পের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের গভীর বিশ্লেষণ প্রদান করবে। এই সিরিজটি ডকুমেন্টারির মূল কাহিনীর পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।

কেএনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন এবং ডকুমেন্টারির প্রিমিয়ার উভয়ই ট্রাম্প পরিবারের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থানকে সাংস্কৃতিক মঞ্চে তুলে ধরার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পদক্ষেপগুলোকে সমর্থকরা ট্রাম্পের উত্তরাধিকারকে সংরক্ষণ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন, আর সমালোচকরা রাজনৈতিক প্রভাবকে সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠানে ঢোকানোর অভিযোগ তুলেছেন।

ডকুমেন্টারির বিষয়বস্তু এবং কেএনেডি সেন্টারের পুনঃনামকরণ উভয়ই মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে প্রথম নারী হিসেবে মেলানিয়া ট্রাম্পের ভূমিকা, তার স্বভাব ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বিশ্লেষণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মতামত প্রকাশিত হয়েছে।

এই সবের মধ্যে, ডকুমেন্টারির রিলিজ তার দর্শকদের জন্য একটি নতুন দৃষ্টিকোণ উপস্থাপন করবে, যেখানে মেলানিয়া ট্রাম্পের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং রাষ্ট্রের শীর্ষে তার উপস্থিতি একসঙ্গে চিত্রিত হবে। দর্শকরা এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ২০২৫ সালের প্রেসিডেন্ট শপথের পূর্বের প্রস্তুতি ও চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন।

সর্বশেষে, কেএনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন এবং ডকুমেন্টারির প্রিমিয়ার উভয়ই যুক্তরাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন আলোচনার সূচনা করেছে। এই ঘটনাগুলো ভবিষ্যতে কী প্রভাব ফেলবে তা সময়ই প্রকাশ করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments