অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বক্সিং ডে টেস্টের জন্য নতুন স্কোয়াড প্রকাশ করেছে। অফ‑স্পিনার টড মর্ফি এবং দ্রুতগতি বোলার ঝি রিচার্ডসনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, আর স্পিনার নাথান লিয়ন ও ক্যাপ্টেন প্যাট কামিন্সকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
স্কোয়াডের তালিকায় স্টিভ স্মিথ (ক্যাপ্টেন), স্কট বোল্যান্ড, অ্যালেক্স ক্যারি, ব্রেনডন ডগেট, ক্যামেরন গ্রিন, ট্র্যাভিস হেড, জশ ইনগ্লিস, উসমান খাওয়াজা, মারনাস লাবুশান্নে, টড মর্ফি, মাইকেল নেসার, ঝি রিচার্ডসন, মিচেল স্টার্ক, জেক ওয়েদারাল্ড এবং বেউ ওয়েবস্টার অন্তর্ভুক্ত।
স্টিভ স্মিথের ক্যাপ্টেনশিপে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও তিনি অডিলেডে শোনানো অভ্যন্তরীণ কানের সমস্যার কারণে অডিলেডের শেষ টেস্টে অনুপস্থিত ছিলেন। তার স্বাস্থ্যের অবস্থা নিশ্চিত হলে তিনি দলকে নেতৃত্ব দেবেন।
টড মর্ফি, যিনি ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কায় শেষ টেস্ট খেলেছিলেন, এখন বাড়িতে টেস্টের জন্য ফিরে আসছেন। তার পারফরম্যান্সকে পুনরায় দেখার সুযোগ এই ম্যাচে মিলবে।
ঝি রিচার্ডসনকে দ্রুতগতি বোলার হিসেবে স্কোয়াডে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি গত সিজনে অস্ট্রেলিয়ার পেশাদার লিগে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, যা তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
স্পিনার নাথান লিয়নের অবস্থা উদ্বেগজনক। তিনি অডিলেডের তৃতীয় টেস্টের পঞ্চম দিনে বাউন্ডারি রক্ষা করার চেষ্টা করে ডাইভ করার সময় ডান হ্যামস্ট্রিং ফাটিয়ে ফেলেছিলেন। এই আঘাতের ফলে তার গতি সীমিত হয়ে গিয়েছে।
চিকিৎসা দল লিয়নের জন্য শল্যচিকিৎসা প্রয়োজনীয় বলে জানিয়েছে। তার পুনরুদ্ধার সময়সূচি এখনো স্পষ্ট নয়, তবে শল্যচিকিৎসার পর দীর্ঘ বিশ্রাম নিতে হবে।
ক্যাপ্টেন প্যাট কামিন্সও এই টেস্টে অংশ নেবেন না। তিনি সাম্প্রতিক প্রেস কনফারেন্সে নিজের অবস্থান নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন এবং দলকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য নির্বাচিত খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছে বোলার স্কট বোল্যান্ড, উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারি, এবং অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন। এই খেলোয়াড়রা টেস্টের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বক্সিং ডে টেস্টটি ২৬ ডিসেম্বর মেলবোর্নের মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে। অস্ট্রেলিয়ার নতুন সংযোজন এবং বাদ পড়া খেলোয়াড়দের মধ্যে এই ম্যাচটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মঞ্চ হবে।
দলটি এই ম্যাচে শক্তিশালী পারফরম্যান্সের লক্ষ্যে প্রস্তুত, বিশেষ করে নতুন বোলারদের দায়িত্ব বাড়বে। কোচিং স্টাফের মতে, মর্ফি ও রিচার্ডসনের সংযোজন ব্যাটিং ও বোলিং উভয় দিকেই ভারসাম্য আনবে।
অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ভক্তরা এই টেস্টে দলকে নতুন শক্তি দেখার প্রত্যাশা করছেন, একই সঙ্গে লিয়ন ও কামিন্সের অনুপস্থিতি কীভাবে দলের গতি প্রভাবিত করবে তা নজরে থাকবে। টেস্ট সিরিজের পরবর্তী ম্যাচের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।



