সোনু সুড, অভিনেতা‑নির্দেশক‑প্রযোজক, ২৩ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ের একটি মাল্টিপ্লেক্সে ‘ফতেহ’ চলচ্চিত্রের ট্রেলার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে তার স্ত্রী সোনালি সুড, জি স্টুডিওসের উমেশ কে আর বানসাল, এবং জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ, শিবা আকাশদীপ, দিব্যেন্দু ভট্টাচার্যসহ বেশ কয়েকজন শিল্পী উপস্থিত ছিলেন। এই ইভেন্টটি ছবির রোমাঞ্চকর ও হিংসাত্মক স্বরকে তুলে ধরতে লক্ষ্য রাখে এবং মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
ট্রেলারটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ‘ফতেহ’কে বলিউডের সর্বাধিক হিংসাত্মক ছবিগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দৃশ্যগুলোতে রক্তপাত ও তীব্র লড়াইয়ের মুহূর্তগুলো স্পষ্টভাবে দেখা যায়, যা অ্যাকশন প্রেমীদের জন্য আকর্ষণীয় হতে পারে। সোনু সুড এই দৃশ্যগুলোকে দর্শকের আকর্ষণীয়তা বাড়ানোর উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন।
সুত্র অনুযায়ী, সোনু সুড এখনও সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সিটেশন (CBFC) থেকে অনুমোদন পাননি এবং প্রাপ্তবয়স্ক (এ) সার্টিফিকেটের সম্ভাবনা নিয়ে কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। তিনি বলেন, “এ সার্টিফিকেটে কোনো সমস্যা নেই; ‘অ্যানিমাল’ ও ‘কাবির সিংহ’ দুটোই এ ধরনের সার্টিফিকেটে মুক্তি পেয়ে বড় সাফল্য অর্জন করেছে।” এছাড়া তিনি যোগ করেন যে, সিএবিএফসির চূড়ান্ত রেটিং এখনও নির্ধারিত হয়নি এবং তা চলচ্চিত্রের মুক্তির সময়সূচিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
তিনি আরও যোগ করেন, দর্শকরা যখন নায়কের অপরাধ দেখেন, তখন শাস্তি প্রত্যাশা করে; এই প্রত্যাশা হিংসার ন্যায়সঙ্গততা বাড়ায়। তার মতে, “যদি চরিত্রটি খারাপ কাজ করে, তবে দর্শকরা চাইবে সে কঠোরভাবে শাস্তি পায়।” এই দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি হিংসার উপস্থিতিকে গল্পের নৈতিক দিক হিসেবে তুলে ধরেন।
ট্রেলার প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য উঠে আসে। কিছু মন্তব্যে “এই ছবিতে কতটা অ্যাকশন, কতটা মারামারি আছে?” এমন প্রশ্ন তোলা হয়, আর অন্যদিকে “প্রাপ্তবয়স্ক সার্টিফিকেট হলে অবশ্য



